বরিশাল নগরীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ শুরু

বরিশাল মহানগরীতে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে সিটি করপোরেশন। দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্থাপনা এবং বিশৃঙ্খল নগর ব্যবস্থাপনার কারণে ভোগান্তিতে থাকা বরিশাল মহানগরীকে শৃঙ্খলার আওতায় আনতে এ অভিযান চালানো হয়। রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নগর ভবনের সামনে থেকে এ অভিযান শুরু হয়। দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মধ্যেই নগর উন্নয়নে দৃশ্যমানে এমন উদ্যোগ নিয়েছেন নগর প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন। সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাসের নেতৃত্বে এ অভিযানে নগরীর ফুটপাত, প্রধান সড়ক, পার্ক ও বিনোদনস্থল থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন জানায়, প্রশাসকের নির্দেশনায় উচ্ছেদের আগে ৭ দিনের সময় দিয়ে মাইকিংসহ সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয় যাতে ব্যবসায়ীরা স্বেচ্ছায় জায়গা ছেড়ে দেয় এবং কারও মালামালের ক্ষতি না হয়। ইতোমধ্যে কিছু দখলদার নিজ উদ্যোগে সরে গেলেও অনেকে এখনও অবস্থান করছে। অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো আগে দখলমুক্ত করা হবে। ফুটপাত জনগণের চলাচলের জন্য এই নীতি বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান চলবে। যতদিন পর্যন্ত অবৈধভাবে ফুটপাত

বরিশাল নগরীতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ শুরু

বরিশাল মহানগরীতে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে সিটি করপোরেশন। দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্থাপনা এবং বিশৃঙ্খল নগর ব্যবস্থাপনার কারণে ভোগান্তিতে থাকা বরিশাল মহানগরীকে শৃঙ্খলার আওতায় আনতে এ অভিযান চালানো হয়।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নগর ভবনের সামনে থেকে এ অভিযান শুরু হয়।

দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মধ্যেই নগর উন্নয়নে দৃশ্যমানে এমন উদ্যোগ নিয়েছেন নগর প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন।

সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাসের নেতৃত্বে এ অভিযানে নগরীর ফুটপাত, প্রধান সড়ক, পার্ক ও বিনোদনস্থল থেকে অবৈধ স্থাপনা অপসারণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

সিটি করপোরেশন জানায়, প্রশাসকের নির্দেশনায় উচ্ছেদের আগে ৭ দিনের সময় দিয়ে মাইকিংসহ সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয় যাতে ব্যবসায়ীরা স্বেচ্ছায় জায়গা ছেড়ে দেয় এবং কারও মালামালের ক্ষতি না হয়। ইতোমধ্যে কিছু দখলদার নিজ উদ্যোগে সরে গেলেও অনেকে এখনও অবস্থান করছে।

অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো আগে দখলমুক্ত করা হবে। ফুটপাত জনগণের চলাচলের জন্য এই নীতি বাস্তবায়নে নিয়মিত অভিযান চলবে। যতদিন পর্যন্ত অবৈধভাবে ফুটপাত ব্যবহার করা হবে, ততদিন অভিযান বন্ধ হবে না।

সিটি করপোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বলেন, কিছু মানুষের অবৈধ সুবিধার জন্য নগরবাসীকে কষ্ট পেতে দেওয়া হবে না।

তিনি বলেন, মাঝে মাঝে কিছু ব্যক্তি অবৈধ দখলদারদের পক্ষ নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করেন। তবে নগরবাসীর স্বার্থই প্রশাসনের মূল বিবেচ্য।

এর আগে ১০ এপ্রিলের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ দিয়ে নগরজুড়ে মাইকিং করা হয়। পাশাপাশি নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং নগর ভবনে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করেন।

এসব আলোচনায় নগরবাসীর দীর্ঘদিনের সমস্যা, নাগরিক সেবা উন্নয়ন, খেলার মাঠ ও পার্ক রক্ষণাবেক্ষণ, যানজট নিরসনসহ বিভিন্ন দাবি উঠে আসে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব সমস্যার বাস্তবসম্মত সমাধান করে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

শাওন খান/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow