‘বর্তমান প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়ে ডেউয়া চেনেই না’

মাগুরার বাজারে উঠেছে একসময়ের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ফল ডেউয়া। হালকা টক স্বাদের এই ফল অঞ্চলভেদে ‌‘ডেওয়া’, ‘ডেউফল’, ‘বনকাঁঠাল’, ‘ঢেউয়া’ কিংবা ‘ডহুয়া’ নামেও পরিচিত। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফলের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। উপজেলার আড়পাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হালিম বলেন, ‘ছোটবেলায় আমরা বন্ধুদের নিয়ে ডেউয়া কুড়িয়ে খেতাম। তখন প্রায় প্রতিটি গ্রামেই এই গাছ ছিল। এখন খুব কম দেখা যায়। বর্তমান প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়ে ডেউয়া চেনেই না।’ ইছেখাদা গ্রামের বিক্রেতা আশরাফ মোল্লা বলেন, ‘দেশি ফল হিসেবে ডেউয়া চাহিদার এই মৌসুমে বেড়ে যায়। তবে গ্রাম থেকে কিনে এনে বিক্রি করে অল্প কিছু লাভ হয়। প্রতি পিস ১০ টাকা থেকে ৫০ টাকা এবং কেজি ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়।’ শালিখা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবুল হাসনাত বলেন, ‘ডেউয়া একটি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ দেশীয় ফল। এতে ভিটামিন, খনিজ ও খাদ্যআঁশ রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘দেশীয় ফল সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি গাছ রোপণে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। এতে করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এসব ফলের স

‘বর্তমান প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়ে ডেউয়া চেনেই না’

মাগুরার বাজারে উঠেছে একসময়ের গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ফল ডেউয়া। হালকা টক স্বাদের এই ফল অঞ্চলভেদে ‌‘ডেওয়া’, ‘ডেউফল’, ‘বনকাঁঠাল’, ‘ঢেউয়া’ কিংবা ‘ডহুয়া’ নামেও পরিচিত।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে সরকারি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের সামনে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফলের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

উপজেলার আড়পাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হালিম বলেন, ‘ছোটবেলায় আমরা বন্ধুদের নিয়ে ডেউয়া কুড়িয়ে খেতাম। তখন প্রায় প্রতিটি গ্রামেই এই গাছ ছিল। এখন খুব কম দেখা যায়। বর্তমান প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়ে ডেউয়া চেনেই না।’

‘বর্তমান প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়ে ডেউয়া চেনেই না’

ইছেখাদা গ্রামের বিক্রেতা আশরাফ মোল্লা বলেন, ‘দেশি ফল হিসেবে ডেউয়া চাহিদার এই মৌসুমে বেড়ে যায়। তবে গ্রাম থেকে কিনে এনে বিক্রি করে অল্প কিছু লাভ হয়। প্রতি পিস ১০ টাকা থেকে ৫০ টাকা এবং কেজি ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়।’

শালিখা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আবুল হাসনাত বলেন, ‘ডেউয়া একটি পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ দেশীয় ফল। এতে ভিটামিন, খনিজ ও খাদ্যআঁশ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশীয় ফল সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি গাছ রোপণে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। এতে করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এসব ফলের সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে।’

মিনারুল ইসলাম জুয়েল/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow