বহিষ্কারের পর নির্বাচন করার ঘোষণা ১ বিএনপি নেতার
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর বাঞ্ছারামপুরবাসীর উদ্দেশে একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি (বহিষ্কৃত) কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘প্রিয় বাঞ্ছারামপুরবাসী, আসসালামু আলাইকুম। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৫ বছর রাজপথের আন্দোলনে আপনাদের ভালোবাসা ও সাহস আমাকে শক্তি দিয়েছে। ইনশাল্লাহ, আপনারা পাশে থাকলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের এই লড়াইয়ে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। বাঞ্ছারামপুরের অধিকার আদায়ে আপনাদের দোয়া ও সমর্থন চাই।’ এর আগে মঙ্গলবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মেহেদী হাসান পলাশকে দল থেকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তার বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ বাতিল করা হয়েছে। বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্য রক্ষার স্বার্থেই এই কঠোর সিদ্ধান্
দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর বাঞ্ছারামপুরবাসীর উদ্দেশে একটি ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি (বহিষ্কৃত) কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘প্রিয় বাঞ্ছারামপুরবাসী, আসসালামু আলাইকুম। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৫ বছর রাজপথের আন্দোলনে আপনাদের ভালোবাসা ও সাহস আমাকে শক্তি দিয়েছে। ইনশাল্লাহ, আপনারা পাশে থাকলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দেশনায়ক তারেক রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের এই লড়াইয়ে আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। বাঞ্ছারামপুরের অধিকার আদায়ে আপনাদের দোয়া ও সমর্থন চাই।’
এর আগে মঙ্গলবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মেহেদী হাসান পলাশকে দল থেকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তার বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব পর্যায়ের পদ বাতিল করা হয়েছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্য রক্ষার স্বার্থেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?