বাঁশখালীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হকের ৭ বছরের কারাদণ্ড

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চট্টগ্রামের বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. রেজাউল করিম রনি জানান, মুজিবুল হক চৌধুরী জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণভাবে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছিলেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মুজিবুল হক চৌধুরীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে। মামলার নথি অনুযায়ী, তার মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১ কোটি ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৮ টাকা। ফলে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস খুঁজে পায়নি দুদক। মামলাটি ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের দুদকের সমন্বিত জেলা

বাঁশখালীর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুল হকের ৭ বছরের কারাদণ্ড

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় চট্টগ্রামের বাঁশখালীর চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মো. রেজাউল করিম রনি জানান, মুজিবুল হক চৌধুরী জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণভাবে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছিলেন।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মুজিবুল হক চৌধুরীকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর কারাভোগ করতে হবে।

মামলার নথি অনুযায়ী, তার মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৮ হাজার ৮৩২ টাকা। এর বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া যায় ১ কোটি ২১ লাখ ২৭ হাজার ৮১৮ টাকা। ফলে ৫৬ লাখ ৭১ হাজার ১৪ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস খুঁজে পায়নি দুদক।

মামলাটি ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর গত বছরের ৩ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দেন আদালত।

এমআরএএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow