‘বাঁশের লাঠি’ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে বিপাকে জামায়াত প্রার্থী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উসকানিমূলক বক্তব্য এবং কর্মীদের ‘বাঁশের লাঠি’ ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রুহুল আমিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।  নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান এবং জীবননগর সিভিল জজ আদালতের বিচারক নাসির হুসাইন মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই নোটিশ জারি করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১২ জানুয়ারি দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় দলীয় এক কর্মশালায় বক্তব্য দেন রুহুল আমিন। সেখানে তিনি নির্বাচনে জয়লাভের লক্ষ্যে কর্মীদের বাঁশের লাঠি তৈরি ও তাতে তেল মাখিয়ে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেন। এই বক্তব্যকে উসকানিমূলক ও আচরণবিধির পরিপন্থি উল্লেখ করে একই দিন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এমএ সবুর। নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। কমিটির নোটিশে বলা হয়েছে, রুহুল আমিনের বক্তব্যে লড়াই, রক্ত ঝরানো এবং বাঁশের লাঠি ব্যবহারের প্ররোচনা রয়েছে, যা জনমনে ভয়ভীতি ও সহিংসতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এটি রাজনৈতিক

‘বাঁশের লাঠি’ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে বিপাকে জামায়াত প্রার্থী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উসকানিমূলক বক্তব্য এবং কর্মীদের ‘বাঁশের লাঠি’ ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রুহুল আমিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। 

নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান এবং জীবননগর সিভিল জজ আদালতের বিচারক নাসির হুসাইন মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই নোটিশ জারি করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১২ জানুয়ারি দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় দলীয় এক কর্মশালায় বক্তব্য দেন রুহুল আমিন। সেখানে তিনি নির্বাচনে জয়লাভের লক্ষ্যে কর্মীদের বাঁশের লাঠি তৈরি ও তাতে তেল মাখিয়ে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেন। এই বক্তব্যকে উসকানিমূলক ও আচরণবিধির পরিপন্থি উল্লেখ করে একই দিন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এমএ সবুর।

নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। কমিটির নোটিশে বলা হয়েছে, রুহুল আমিনের বক্তব্যে লড়াই, রক্ত ঝরানো এবং বাঁশের লাঠি ব্যবহারের প্ররোচনা রয়েছে, যা জনমনে ভয়ভীতি ও সহিংসতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এটি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর ১৫ ও ১৬ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

কমিটির পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়, বক্তব্যে জনমনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। এটি সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করার শামিল। প্রার্থীর মাধ্যমে নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছেন।

শোকজের বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী মো. রুহুল আমিন দাবি করেন, তার বক্তব্য কাউকে ভয় দেখানোর জন্য ছিল না। তিনি বলেন, ভোট চুরি প্রতিহত করার জন্য এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থেই আমি কর্মীদের প্রস্তুতির কথা বলেছি। এটি আচরণবিধি লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে না, বরং একটি পরিকল্পনা মাত্র।

নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় মো. রুহুল আমিনকে সশরীরে বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow