‘বাংলাদেশ আমাদের দুম্বার মতো মেরেছে’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন পর মাঠে নেমেই বড় ব্যবধানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে টাইগাররা। নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের বোলিং তোপে মাত্র ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। লক্ষ্য তাড়ায় ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৫.১ ওভারে টাইগাররা জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়। এই হারের পর কাটাছেঁড়া বিশ্লেষণ করেছেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে সেই বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন বাঁ–হাতি এই পেসার। যেখানে তিনি বাংলাদেশ ‘সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নে’ পাকিস্তানকে আটকে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন আমির। এ ছাড়া এমন পারফরম্যান্স তার দেশকে ‘সহযোগী সদস্যে’র কাতারে নামিয়ে দেয় কি না তিনি সেই শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। পাকিস্তানি ব্যাটারদের দুর্বলতা চিহ্নিত এবং নির্বাচকদের ক্রিকেটার নির্বাচনেরও সমালোচনা করেন আমির। তিনি বলেন, ‘মিরপুরে স্পিন উইকেট হবে বলে ভেবেছিল পাকিস্তান, কিন্তু বাংলাদেশ ঘাসে ঢাকা বাউন্সি উইকেট বানিয়ে চমকে দিয়েছে। এখানে বাংলাদেশ খুব স্মার্টলি খেলেছে। আমরা টার্নিং উইকেটের কথা ভাবছিলাম; কিন্তু ওরা বানিয়ে দিল গতি
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘদিন পর মাঠে নেমেই বড় ব্যবধানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে টাইগাররা। নাহিদ রানা ও মেহেদী হাসান মিরাজের বোলিং তোপে মাত্র ১১৪ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। লক্ষ্য তাড়ায় ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৫.১ ওভারে টাইগাররা জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
এই হারের পর কাটাছেঁড়া বিশ্লেষণ করেছেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আমির। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে সেই বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন বাঁ–হাতি এই পেসার। যেখানে তিনি বাংলাদেশ ‘সিলেবাসের বাইরের প্রশ্নে’ পাকিস্তানকে আটকে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন আমির। এ ছাড়া এমন পারফরম্যান্স তার দেশকে ‘সহযোগী সদস্যে’র কাতারে নামিয়ে দেয় কি না তিনি সেই শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। পাকিস্তানি ব্যাটারদের দুর্বলতা চিহ্নিত এবং নির্বাচকদের ক্রিকেটার নির্বাচনেরও সমালোচনা করেন আমির।
তিনি বলেন, ‘মিরপুরে স্পিন উইকেট হবে বলে ভেবেছিল পাকিস্তান, কিন্তু বাংলাদেশ ঘাসে ঢাকা বাউন্সি উইকেট বানিয়ে চমকে দিয়েছে। এখানে বাংলাদেশ খুব স্মার্টলি খেলেছে। আমরা টার্নিং উইকেটের কথা ভাবছিলাম; কিন্তু ওরা বানিয়ে দিল গতির উইকেট। ঠিক যেন “আউট অব সিলেবাস” প্রশ্ন চলে এসেছে। আর আমাদের ব্যাটসম্যানরা ১৪০ প্লাস গতির বোলার দেখলেই লাফালাফি শুরু করে দেয়। নাহিদ রানা ও মেহেদী মিরাজ চমৎকার বল করেছে। বিশেষ করে নাহিদ ১৪০ এর বেশি গতিতে বল করছিল।’
বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের প্রশংসা করার পাশাপাশি সিরিজ জিততে একইরকম উইকেট রাখা হবে বলেও ধারণা সাবেক এই পাকিস্তানি পেসারের, ‘তারা আমাদের দুম্বার মতো মেরেছে, যেন তারাও অনেক মজা পাচ্ছিল। যে উইকেটে আমরা ১১৪ রান করলাম, সেই উইকেটে তারা ১০-১২ (মূলত ১৫.১) ওভারে রান তাড়া করে ফেলেছে। আমি আপনাদের বলছি– বাংলাদেশ আপনাদের কোন স্পিন ট্র্যাক দেবে না। তারা এমন উইকেটই দেবে। তাদের তিনজন ফাস্ট বোলারই শক্তিশালী, যারা ১৩৫-১৪০ গতিতে বল করে, বিশেষ করে নাহিদ রানা। তারা সিরিজ জেতার জন্য এই সুযোগটাই নেবে।’
What's Your Reaction?