বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির শহীদ দিবস উদযাপন
যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘মহান শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভাষাশহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়। দিবসের কর্মসূচির শুরুতে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর রিয়ার এডমিরাল ড. খন্দকার আক্তার হোসেন (এনবিপি, এনইউপি, এনডিসি, পিএসসি, পিএইচডি)-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্তরের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি এক শোকাবহ ও স্মরণীয় পরিবেশে সম্পন্ন হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপস্থিত সবাই মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের আত্মত্যাগকে বিনম্র চিত্তে স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন, বা
যথাযোগ্য মর্যাদা, গভীর শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ‘মহান শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভাষাশহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপন করা হয়।
দিবসের কর্মসূচির শুরুতে ঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর রিয়ার এডমিরাল ড. খন্দকার আক্তার হোসেন (এনবিপি, এনইউপি, এনডিসি, পিএসসি, পিএইচডি)-এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল ভাষাশহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব স্তরের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানটি এক শোকাবহ ও স্মরণীয় পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে উপস্থিত সবাই মহান ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের আত্মত্যাগকে বিনম্র চিত্তে স্মরণ করেন। বক্তারা বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমেই বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের বীজ বপন করা হয়েছিল। বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে মাতৃভাষার শুদ্ধ চর্চা ছড়িয়ে দেওয়া এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলার মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয় এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে।
What's Your Reaction?