বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ হস্তান্তর করল বিএসএফ
অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতে কারাভোগে থাকাকালে মারা যাওয়া বাংলাদেশি এক যুবকের মরদেহ হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও সীমান্ত দিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে ওই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
মৃত ওই যুবকের নাম শিপন হাওলাদার (৩৫)। সে বরগুনা জেলা সদরের সবেজ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, প্রায় ১৯ মাস আগে শিপন হাওলাদার ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আটক হলে তাকে সেখানকার পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এরপর ভারতীয় আদালত অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে কারাদন্ড দিয়ে তুরা কারাগারে পাঠায়।
এদিকে আগামী ২৮ এপ্রিল তার কারাভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) হঠাৎ শিপন গরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে দুই দেশের আইনী প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১টায় শিপনের মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নালিতাবাড়ী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান বলেন, মরদেহ গ্রহণ করা হয়েছ
অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতে কারাভোগে থাকাকালে মারা যাওয়া বাংলাদেশি এক যুবকের মরদেহ হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও সীমান্ত দিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের উপস্থিতিতে ওই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
মৃত ওই যুবকের নাম শিপন হাওলাদার (৩৫)। সে বরগুনা জেলা সদরের সবেজ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ জানায়, প্রায় ১৯ মাস আগে শিপন হাওলাদার ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে। পরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আটক হলে তাকে সেখানকার পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এরপর ভারতীয় আদালত অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাকে কারাদন্ড দিয়ে তুরা কারাগারে পাঠায়।
এদিকে আগামী ২৮ এপ্রিল তার কারাভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) হঠাৎ শিপন গরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে দুই দেশের আইনী প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর ১টায় শিপনের মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নালিতাবাড়ী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান বলেন, মরদেহ গ্রহণ করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হবে।
মরদেহ হস্তান্তরকালে ভারতীয় বিএসএফ এর পক্ষে ঢালু কোম্পানী কমান্ডার ইন্সপেক্টর কিমা রায়, বাংলাদেশের বিজিবি’র পক্ষে হাতিপাগার সবেদার ফুল মিয়া সরকার, নালিতাবাড়ী থানার ওসি আশরাফুজ্জামানসহ দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।