বাংলা‌দে‌শে এলেন ভার‌তের নতুন হাইকমিশনার

ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। স্ত্রী মৃণাল ত্রিবেদীকে সঙ্গে নিয়ে আজ (শুক্রবার) দুপুরে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত চেকপয়েন্ট দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করেন তিনি। ভারতের হাইকমিশন জানিয়েছে, ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বঢ়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদীকে এপ্রিলের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার কালে ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক তলানিতে চলে যায়। এরপর বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেয়। এমন সময় নরেন্দ্র মোদি সরকার দীর্ঘদিন পর আবার রাজনীতিবিদকে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠাচ্ছে। ৭৫ বছর বয়সী দিনেশ ত্রিবেদী কেন্দ্রীয় সরকারের সাবেক রেলমন্ত্রী এবং মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১২ সালে রেল বাজেট প্রস্তাবের সময় যাত্রী ভাড়া বাড়ানোর পরিকল্পনা করেন, যা দলের অন্দরে বিতর্ক সৃষ্টি করে এবং পদত্যাগে বাধ্য হন। এছাড়া তিনি স্বাস্থ

বাংলা‌দে‌শে এলেন ভার‌তের নতুন হাইকমিশনার

ভারতের নতুন হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। স্ত্রী মৃণাল ত্রিবেদীকে সঙ্গে নিয়ে আজ (শুক্রবার) দুপুরে পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত চেকপয়েন্ট দিয়ে ঢাকায় প্রবেশ করেন তিনি। ভারতের হাইকমিশন জানিয়েছে, ডেপুটি হাইকমিশনার পবন বঢ়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন।

ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদীকে এপ্রিলের শেষ দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার কালে ঢাকার সঙ্গে দিল্লির সম্পর্ক তলানিতে চলে যায়। এরপর বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেয়। এমন সময় নরেন্দ্র মোদি সরকার দীর্ঘদিন পর আবার রাজনীতিবিদকে হাইকমিশনার হিসেবে পাঠাচ্ছে।

৭৫ বছর বয়সী দিনেশ ত্রিবেদী কেন্দ্রীয় সরকারের সাবেক রেলমন্ত্রী এবং মনমোহন সিংয়ের মন্ত্রিসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১২ সালে রেল বাজেট প্রস্তাবের সময় যাত্রী ভাড়া বাড়ানোর পরিকল্পনা করেন, যা দলের অন্দরে বিতর্ক সৃষ্টি করে এবং পদত্যাগে বাধ্য হন। এছাড়া তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও কাজ করেছেন।

তিনি লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় কক্ষে সদস্য ছিলেন; পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকসভা এবং গুজরাট থেকে রাজ্যসভা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে পরের মাসে বিজেপিতে যোগ দেন।

ঢাকায় তার আগের হাইকমিশনার ছিলেন প্রণয় ভার্মা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow