বাংলাদেশে ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হতে যাচ্ছেন দীনেশ ত্রিভেদী
ভারতের বিজেপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী দীনেশ ত্রিভেদীকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্বরত প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি। রোববার (১৯ এপ্রিল) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস-এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন পর কোনো প্রতিবেশী দেশে রাজনৈতিক ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছে ভারত। তার পূর্ববর্তী রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূত হিসেবে ব্রাসেলসে পাঠানো হচ্ছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ সিদ্ধান্ত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনীতিকদের জন্যও এক ধরনের বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে নিয়োগের আগে ঢাকায় সরকারের সম্মতি নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়। দীনেশ ত্রিভেদী এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০২১ সালে দলটি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা হিসেবে ভারত এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপসারণের পর দুই দেশের সম্পর্কে টান
ভারতের বিজেপি নেতা ও সাবেক মন্ত্রী দীনেশ ত্রিভেদীকে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্বরত প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি।
রোববার (১৯ এপ্রিল) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস-এর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন পর কোনো প্রতিবেশী দেশে রাজনৈতিক ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছে ভারত। তার পূর্ববর্তী রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূত হিসেবে ব্রাসেলসে পাঠানো হচ্ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ সিদ্ধান্ত ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনীতিকদের জন্যও এক ধরনের বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে নিয়োগের আগে ঢাকায় সরকারের সম্মতি নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।
দীনেশ ত্রিভেদী এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০২১ সালে দলটি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন।
ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা হিসেবে ভারত এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি করা হয় প্রতিবেদনে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অপসারণের পর দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। পরবর্তী সময়ে দায়িত্ব নেওয়া ড. মুহাম্মদ ইউনুসের শাসনামলেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীনেশ ত্রিভেদীর এ নিয়োগ থেকে বোঝা যায়, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কূটনৈতিক দায়িত্বে পাঠাতে আগ্রহী ভারত।
What's Your Reaction?