বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা পেরে উঠিনি, স্বীকারক্তি অজি অলরাউন্ডারের

শূন্য রানে তিন উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা হয় দুঃস্বপ্নের মতো। এরপর কয়েকটি জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে টিকতে পারেনি সফরকারীরা। ম্যাচ শেষে অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন স্বীকার করেছেন, এই সিরিজে বাংলাদেশের বোলাররা যা করেছে তার সঙ্গে পেরে ওঠেননি তারা। বৃহস্পতিবার মিরপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের বোলিংয়ের প্রশংসা করে গ্রিন বলেন, ‘না, বাংলাদেশের বোলিং খুবই ভালো ছিল। আমার মনে হয়, তারা যা করেছে তাতে আমরা তাদের সঙ্গে পেরে উঠিনি (আউটক্লাসড হয়েছি)।আমার মনে হয় আমরা ভালো বোলিং করেছি। কিন্তু আমরা একজন ব্যাটারের বড় ইনিংস মিস করেছি। দুই ম্যাচেই আমরা লড়াইয়ে ছিলাম, কিন্তু ডিফেন্ড করার মতো যথেষ্ট রান করতে পারিনি।’ ম্যাচের শুরুতেই কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই তিন উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। গ্রিনের মতে, সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা সহজ ছিল না, ‘যখন আপনি শূন্য রানে তিন উইকেট হারান, তখন ম্যাচে ফিরে আসা কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু আমার মনে হয় আমরা দারুণ কাজ করেছি। আমাদের কয়েকটি ভালো জুটি হয়েছিল এবং অবশ্যই মার্ন ও জেভিয়ার অসাধারণ ছিল। তারা

বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা পেরে উঠিনি, স্বীকারক্তি অজি অলরাউন্ডারের

শূন্য রানে তিন উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শুরুটা হয় দুঃস্বপ্নের মতো। এরপর কয়েকটি জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে টিকতে পারেনি সফরকারীরা। ম্যাচ শেষে অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন স্বীকার করেছেন, এই সিরিজে বাংলাদেশের বোলাররা যা করেছে তার সঙ্গে পেরে ওঠেননি তারা।

বৃহস্পতিবার মিরপুরে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে হারের পর সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের বোলিংয়ের প্রশংসা করে গ্রিন বলেন, ‘না, বাংলাদেশের বোলিং খুবই ভালো ছিল। আমার মনে হয়, তারা যা করেছে তাতে আমরা তাদের সঙ্গে পেরে উঠিনি (আউটক্লাসড হয়েছি)।আমার মনে হয় আমরা ভালো বোলিং করেছি। কিন্তু আমরা একজন ব্যাটারের বড় ইনিংস মিস করেছি। দুই ম্যাচেই আমরা লড়াইয়ে ছিলাম, কিন্তু ডিফেন্ড করার মতো যথেষ্ট রান করতে পারিনি।’

ম্যাচের শুরুতেই কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই তিন উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। গ্রিনের মতে, সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা সহজ ছিল না, ‘যখন আপনি শূন্য রানে তিন উইকেট হারান, তখন ম্যাচে ফিরে আসা কঠিন হয়ে যায়। কিন্তু আমার মনে হয় আমরা দারুণ কাজ করেছি। আমাদের কয়েকটি ভালো জুটি হয়েছিল এবং অবশ্যই মার্ন ও জেভিয়ার অসাধারণ ছিল। তারা আমাদের এমন একটি সংগ্রহ এনে দিয়েছিল, যেটা আমরা মনে করেছিলাম রক্ষা করতে পারব এবং আমরা সেটিকে যথেষ্ট দূর পর্যন্ত টেনে নিতে পেরেছিলাম।’

বাংলাদেশকে হালকাভাবে নেওয়ার অভিযোগও নাকচ করে দিয়েছেন এই অজি ক্রিকেটার। তিনি বলেন, ‘একদমই না। আমরা জানি বাংলাদেশ সম্প্রতি খুব ভালো ক্রিকেট খেলছে। আমরা শুধু ভেবেছিলাম একটু বেশি গতির বোলিং আমাদের জন্য ভালো হতে পারে।’

পাকিস্তানের স্পিন সহায়ক উইকেট থেকে এসে মিরপুরের বাউন্সি উইকেট নিয়েও কথা বলেন গ্রিন। তার মতে, উপমহাদেশে এমন উইকেট খুব বেশি দেখা যায় না, ‘আমার মনে হয় এই উইকেটগুলো আমরা সাধারণত যেগুলোর সঙ্গে পরিচিত, সেগুলোর অনেক বেশি কাছাকাছি, পাকিস্তানে যেগুলো পেয়েছিলাম তার চেয়ে। তাই উপমহাদেশে এমন বাউন্সি উইকেট দেখা ভালো লাগছে। এখানে এসে এমনটা দেখা খুবই বিরল।’

বাংলাদেশের পেস আক্রমণের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, ‘বোলাররা অসাধারণ ছিল। অবশ্যই তাদের কিছুটা গতি আছে, শুরুতে খুবই চতুর বোলিং করেছে। পাওয়ার প্লেতে তারা খুব ভালো বোলার। তাই হ্যাঁ, তারা খুব, খুব ভালো ছিল।’

দুই ম্যাচের পার্থক্য কোথায়- এমন প্রশ্নের জবাবে গ্রিন বলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা শুধু একটু আগেই কয়েকটি বেশি উইকেট হারিয়েছি। এজন্য আমাদের নতুন করে পরিস্থিতি মূল্যায়ন করতে হয়েছে এবং কিছু সময় ধীরে খেলতে হয়েছে, তারপর সেইভাবে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করতে হয়েছে।’

এসকেডি/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow