‘বাংলার জয়যাত্রা’কে ফেরাতে কূটনৈতিক চ্যানেলে কাজ চলছে
হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মালিকানাধীন জাহাজ বাংলার জয়যাত্রাকে ফেরাতে কূটনৈতিক চ্যানেলে সব ধরনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রামের ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থী রেটিংসদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে এ কথা বলেন তিনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজ ফেরাতে কাজ চলছে। জাহাজে সম্ভবত ৩৫ জন নাবিক রয়েছেন। তারা ভালো আছেন। তাদের মনোবল চাঙা রাখা হয়েছে। তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। তারা তাড়াতাড়ি চলে আসবেন। সরকার কূটনৈতিক পন্থায় কাজ করছে, সবসময় কাজ চলছে। এর কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। আরও পড়ুনএবারও হরমুজে আটকে গেলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি খুললেও জাহাজ চলাচল সীমিত তিনি বলেন, পরিস্থিতি কী হবে সেটি কেউ জানে না। যখন কোনো পরিস্থিতি উদ্ভব হয়, ওই পরিস্থিতিতে যা যা করণীয় সরকার তা তা করছে। এটি এমন না যে, আপনি একটা রোডম্যাপ দিয়ে দিলেন, সেভাবে চলবে। একেকটা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। সেটাকে কীভাবে ম্যানেজ করা যায়, সেভাবে আমাদের দপ্তর সারাক্ষণ কাজ করছে।
হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মালিকানাধীন জাহাজ বাংলার জয়যাত্রাকে ফেরাতে কূটনৈতিক চ্যানেলে সব ধরনের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রামের ন্যাশনাল মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থী রেটিংসদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ শেষে এ কথা বলেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজ ফেরাতে কাজ চলছে। জাহাজে সম্ভবত ৩৫ জন নাবিক রয়েছেন। তারা ভালো আছেন। তাদের মনোবল চাঙা রাখা হয়েছে। তাদের পরিবারের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। তারা তাড়াতাড়ি চলে আসবেন। সরকার কূটনৈতিক পন্থায় কাজ করছে, সবসময় কাজ চলছে। এর কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে।
আরও পড়ুন
এবারও হরমুজে আটকে গেলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’
হরমুজ প্রণালি খুললেও জাহাজ চলাচল সীমিত
তিনি বলেন, পরিস্থিতি কী হবে সেটি কেউ জানে না। যখন কোনো পরিস্থিতি উদ্ভব হয়, ওই পরিস্থিতিতে যা যা করণীয় সরকার তা তা করছে। এটি এমন না যে, আপনি একটা রোডম্যাপ দিয়ে দিলেন, সেভাবে চলবে। একেকটা প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে। সেটাকে কীভাবে ম্যানেজ করা যায়, সেভাবে আমাদের দপ্তর সারাক্ষণ কাজ করছে। তবে এতে নিশ্চয়ই দেশ ও রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরদের দেওয়ার কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, যে অবস্থায় এগিয়েছিল, সে অবস্থায় এখনো আছে। আমরা বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করছি। আমাদের স্বার্থ কীভাবে রক্ষা হবে, বন্দরের নিরাপত্তা কীভাবে থাকবে, দিনে দিনে আমাদের টেকনোলজি যেটি অর্জন করার দরকার সেটি আমরা বন্দর ব্যবস্থাপনায় কীভাবে অর্জন করতে পারি, এর সুফল কী কী আছে, আবার অন্য কোনো কোম্পানিকে দিলে আমাদের সক্ষমতায় কোনো ব্যত্যয় ঘটে কী না- এ ধরনের বহুমুখী চিন্তা ও সমস্যাগুলো আমলে নিয়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। মনে রাখবেন, যা-ই করা হবে, দেশ ও জনগণের আস্থা ধারণ করেই সিদ্ধান্ত নেবে।
এমডিআইএইচ/কেএসআর
What's Your Reaction?