বাইরের দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন দেশ, কী হচ্ছে ইরানে

সড়কজুড়ে আগুনের লেলিহান শিখা, চারদিকে গাড়ির হর্নের তীব্র আওয়াজ আর মানুষের গগনবিদারী চিৎকার। মুহূর্তের মধ্যে রাজপথ যেন এক রণক্ষেত্রে পরিণত হলো। একটি বহুতল ভবনে দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন, আর সেই আগুনের আলোয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষ। অথচ এই ভয়াবহ পরিস্থিতির খবর মুহূর্তেই বহির্বিশ্বে পৌঁছানোর কোনো উপায় নেই। স্থবির হয়ে পড়েছে সব ধরনের যোগাযোগব্যবস্থা, নেই কোনো ইন্টারনেট সংযোগ। বাইরের পৃথিবী থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গোটা একটি জনপদ। এই অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে ইরানের রাজধানী তেহরানের কাজ স্কয়ারে। গত কয়েকদিন ধরে চলা বিক্ষোভ শুক্রবার রাতে এক চরম রূপ ধারণ করে। দেশটির ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট এবং জাতীয় মুদ্রার অস্বাভাবিক দরপতনের প্রতিবাদে কয়েকদিন ধরেই রাজপথে নেমে এসেছে সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বৃহস্পতিবার থেকেই দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে ইরান সরকার। ইরান ইন্টারন্যাশনালের খবরে দেশটির তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বরাত দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইরানের এই অভ্যন্তরীণ অ

বাইরের দুনিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন দেশ, কী হচ্ছে ইরানে

সড়কজুড়ে আগুনের লেলিহান শিখা, চারদিকে গাড়ির হর্নের তীব্র আওয়াজ আর মানুষের গগনবিদারী চিৎকার। মুহূর্তের মধ্যে রাজপথ যেন এক রণক্ষেত্রে পরিণত হলো। একটি বহুতল ভবনে দাউদাউ করে জ্বলছে আগুন, আর সেই আগুনের আলোয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ মানুষ। অথচ এই ভয়াবহ পরিস্থিতির খবর মুহূর্তেই বহির্বিশ্বে পৌঁছানোর কোনো উপায় নেই।

স্থবির হয়ে পড়েছে সব ধরনের যোগাযোগব্যবস্থা, নেই কোনো ইন্টারনেট সংযোগ। বাইরের পৃথিবী থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গোটা একটি জনপদ।

এই অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে ইরানের রাজধানী তেহরানের কাজ স্কয়ারে। গত কয়েকদিন ধরে চলা বিক্ষোভ শুক্রবার রাতে এক চরম রূপ ধারণ করে।

দেশটির ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট এবং জাতীয় মুদ্রার অস্বাভাবিক দরপতনের প্রতিবাদে কয়েকদিন ধরেই রাজপথে নেমে এসেছে সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বৃহস্পতিবার থেকেই দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিয়েছে ইরান সরকার।

ইরান ইন্টারন্যাশনালের খবরে দেশটির তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের বরাত দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইরানের এই অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এখন আন্তর্জাতিক রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হলে ইরানকে কঠিন আঘাত করা হবে।

পাল্টা অভিযোগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছেন, এই সহিংসতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সরাসরি হাত রয়েছে। এদিকে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনো ধরনের নাশকতা সহ্য করা হবে না। মুদ্রাস্ফীতি আর রাজনৈতিক উত্তেজনা মিলে ইরান এখন এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে দাঁড়িয়ে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow