বাউফলে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটে জিম্মি রোগীরা
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতাল চত্বরে স্থায়ীভাবে অবস্থান নিয়ে কিছু প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স চালক ও তাদের সহযোগীরা পুরো এলাকাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে রেখেছে। সিন্ডিকেটের এ অরাজকতায় প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তি ও আর্থিক শোষণের শিকার হচ্ছেন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা অসহায় মানুষ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জরুরি ও মুমূর্ষু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল বা ঢাকায় স্থানান্তরের প্রয়োজন হলেই সক্রিয় হয়ে উঠে এ চক্র। তারা কম ভাড়ায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারে বাধা দেয়। এমনকি বাহির থেকে অ্যাম্বুলেন্স আনতে বাধা দিয়ে নিজেদের নির্ধারিত গাড়ি ব্যবহারে বাধ্য করে।
রোগীর কোনো স্বজন যদি বাইরে থেকে গাড়ি আনার চেষ্টা করেন, তবে তাকে নানা ধরনের হুমকি ও প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়। ফলে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ভাড়া গুনে রোগীদের নিয়ে রওনা হতে হচ্ছে স্বজনদের।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে বরিশাল গেলে আড়াই হাজার টাকা লাগে। আর সিন্ডিকেটের অ্যাম্বুলেন্সে বরিশাল যেত
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে সাধারণ রোগী ও তাদের স্বজনরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন।
অভিযোগ উঠেছে, হাসপাতাল চত্বরে স্থায়ীভাবে অবস্থান নিয়ে কিছু প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স চালক ও তাদের সহযোগীরা পুরো এলাকাকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে রেখেছে। সিন্ডিকেটের এ অরাজকতায় প্রতিনিয়ত চরম ভোগান্তি ও আর্থিক শোষণের শিকার হচ্ছেন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা অসহায় মানুষ।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, জরুরি ও মুমূর্ষু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল বা ঢাকায় স্থানান্তরের প্রয়োজন হলেই সক্রিয় হয়ে উঠে এ চক্র। তারা কম ভাড়ায় সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহারে বাধা দেয়। এমনকি বাহির থেকে অ্যাম্বুলেন্স আনতে বাধা দিয়ে নিজেদের নির্ধারিত গাড়ি ব্যবহারে বাধ্য করে।
রোগীর কোনো স্বজন যদি বাইরে থেকে গাড়ি আনার চেষ্টা করেন, তবে তাকে নানা ধরনের হুমকি ও প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়। ফলে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ভাড়া গুনে রোগীদের নিয়ে রওনা হতে হচ্ছে স্বজনদের।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে বরিশাল গেলে আড়াই হাজার টাকা লাগে। আর সিন্ডিকেটের অ্যাম্বুলেন্সে বরিশাল যেতে ৫/৬ হাজার টাকা ভাড়া গুনতে হয়।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রউফ সিন্ডিকেটের কথা স্বীকার করে বলেন, অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের কারণে আমরা দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার মধ্যে আছি। কিছু বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক ও তাদের সহযোগীদের কর্মকাণ্ডে হাসপাতালের চিকিৎসার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি এককভাবে সমাধান করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই চলতি বছরের মার্চ মাসে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানিয়েছি।