বাউফলে কাঁচা রাস্তা পাকা হয়নি ৫০ বছরেও 

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই  সড়কটি কাঁচা, সামান্য বৃষ্টি ও চৈত্র মাসে করা রোধে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে রাস্তাটি। প্রতিনিয়তই মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কাঁচা রাস্তা পাকা হবে এ আশায় এলাকাবাসী ৪০ বছর ধরে অপেক্ষায় আছেন। কিন্তু কাচা রাস্তা আর পাকা হয় না। জনপ্রতিনিধিরা বারবার শুধু প্রতিশ্রুতিই দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু আজোবধি ওই সড়কটিতে কোন কাজ হয়নি। আর বহু বছরের ঔ কাঁচা রাস্তাটি সমস্যা সমাধানে নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ.. পটুয়াখালী জেলা বাউফলে উপজেলার বগা ইউনিয়ন ০১ নং ওয়ার্ড বামনিকাঠী,বামনীকাঠী কে.সি.কে মাধ্যমিক বিদ্যালয় এ সামনে থেকে দেবেন্দ হাওলাদার (হিন্দু) পর্যন্ত দুই কিলোমিটার  কাঁচা সড়ক পাকা না করায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ০২ টি  বিদ্যালয়ের কোমল মতি শিক্ষার্থী সহ মসজিদের মুসুল্লি ও এলাকাবাসী বর্ষা মৌসুমে যাতায়াতের জন্য একমাত্র ভরসা এই রাস্তাটি।বর্ষায় সড়কটি কর্দমাক্ত হয়ে যায়,ফলে কোনো ভ্যান, অটোরিকশা,সাইকেল, মোটরসাইকেল তো দূরের কথা,মানুষ পায়ে হেঁটে চলতেও কষ্টের শিকার হন। জরুরি মুহূর্তে কোনো রোগী অথবা গর্ভবতী মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় নিদারুণ ক

বাউফলে কাঁচা রাস্তা পাকা হয়নি ৫০ বছরেও 

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই  সড়কটি কাঁচা, সামান্য বৃষ্টি ও চৈত্র মাসে করা রোধে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে রাস্তাটি। প্রতিনিয়তই মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কাঁচা রাস্তা পাকা হবে এ আশায় এলাকাবাসী ৪০ বছর ধরে অপেক্ষায় আছেন। কিন্তু কাচা রাস্তা আর পাকা হয় না। জনপ্রতিনিধিরা বারবার শুধু প্রতিশ্রুতিই দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু আজোবধি ওই সড়কটিতে কোন কাজ হয়নি। আর বহু বছরের ঔ কাঁচা রাস্তাটি সমস্যা সমাধানে নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ..

পটুয়াখালী জেলা বাউফলে উপজেলার বগা ইউনিয়ন ০১ নং ওয়ার্ড বামনিকাঠী,বামনীকাঠী কে.সি.কে মাধ্যমিক বিদ্যালয় এ সামনে থেকে দেবেন্দ হাওলাদার (হিন্দু) পর্যন্ত দুই কিলোমিটার  কাঁচা সড়ক পাকা না করায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ০২ টি  বিদ্যালয়ের কোমল মতি শিক্ষার্থী সহ মসজিদের মুসুল্লি ও এলাকাবাসী বর্ষা মৌসুমে যাতায়াতের জন্য একমাত্র ভরসা এই রাস্তাটি।বর্ষায় সড়কটি কর্দমাক্ত হয়ে যায়,ফলে কোনো ভ্যান, অটোরিকশা,সাইকেল, মোটরসাইকেল তো দূরের কথা,মানুষ পায়ে হেঁটে চলতেও কষ্টের শিকার হন। জরুরি মুহূর্তে কোনো রোগী অথবা গর্ভবতী মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয় নিদারুণ কষ্ট। এ সড়ক দিয়ে ০৪টি গ্রামের লোকজন বামনীকাঠী,কায়না,কৌখালী ও দক্ষিন কৌখালি সহ স্কুলের শিক্ষার্থী সহ প্রতিদিন শত শত লোকজন যাতায়াত করে থাকে।
রাস্তার আইডি নম্বর.৫৭৮৩৮৫১৫৮

সরেজমিনে ঘুরে ও ভুক্তভোগী র সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,এই গ্রামের চারপাশ মিলিয়ে প্রায় ০৫/৬ হাজার মানুষের বসবাস,২০২১-২২বছরের (বিবিজি) ২,৯৮,১০০টাকায় সড়কটির মাঝখান দিয়ে কিছু ইটের সলিং দিলেও দুই পাশে ঠিকই কাঁচা।দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই হাটু পর্যন্ত কাদা পানিতে একাকার।

সড়কটি পাকা হলে একদিকে যেমন ছাত্র-ছাত্রী ও  জনসাধারণ যাতায়াতে ভোগান্তি কমবে,অন্যদিকে মুমূর্ষু রোগী বহনে বেগ পেতে হবে না।এলাকার কৃষকরা ধান,চাল,ডাল,কাঁচা ফসল কম খরচে বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে পারবেন। 

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাউফলে সরকার এমপি, চেয়ারম্যান-মেম্বার পরিবর্তন হলেও তাদের সড়কের উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি।এ গ্রামের শিক্ষার্থীরা কাচা সড়কটি ব্যবহার করে প্রাথমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা করতে এই রাস্তায় যাতায়াত করে। 

 গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা লালমিয়া মাঝি,খালেক মাঝি, বয়তুল রাড়ি,জয়নাল মাঝি,নজরুল রাড়ি,সুলতান মাঝি,শেমল মিস্ত্রি সহ অনেকেই বলেন,আমরা চরম অবহেলিত এলাকায় মানুষ, কারো চোহে এ রাস্তা পরেনা,দেইখাও দেখেনা,৫৫ বছরে এক বৃদ্ধা বলেন বুঝ হবার পর থেকেই হুনি রাস্তার টেন্ডার র পাশ হইছে কিন্তু এহন পর্যন্ত টেন্ডারও চোহে দেহি নাই,রাস্তাও পাকা হয়নাই,মনে হয় না আর হবে পাকা,বয়স্ক মানুষ ও রোগীরে কাঁন্ধে কইরা পাকা রাস্তায় লইয়া যাইতে হয়।এছাড়া আর কোনো রাস্তা নাই।এতে আমাগো চরম ভোগান্তিতে পরতে হয়। বর্ষাকালে একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় কাঁদা ও পিচ্ছিলা হইয়া যায়,পানি জইম্মা থাকে এ কারনে ছেলে মেয়েরা স্কুলে যাইতে চায়না,

বামনীকাঠী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক খালেক মাঝী ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উওম কুমার পাল বলেন রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য। গ্রামের শিক্ষার্থীরা অধিকাংশ সময় বিদ্যালয়ে সঠিক সময়ে উপস্থিত হতে পারে না। দূরের অনেক শিক্ষার্থী সাইকেল ব্যাবহার করে, রাস্তা কাদা থাকায় সাইকেল চালিয়ে স্কুলে আসতে পারেনা,লেইজারের সময় কোন শিক্ষার্থী খাবার খেতে বারি যেতে পারেনা,আর বর্ষার সময় আসলে তারের ইউনিফর্মে ভিজে যায় কাঁদা লেগে থাকে,তাতে অনেক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েও পরে ,সরকারের কাছে দাবি অতি দ্রুত রাস্তাটি পাকাকরণ করার।

এ বিষয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য গনি মল্লিক জানান, স্কুলের ছাএছাএী এলাকাবাসী চলাচল আসলেই কষ্ট করতে হয়,রাস্তা পাকা কবে হবে তা বলতে পারিনা,তবে আমি উপজেলা  কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে খুব দ্রুত রাস্তাটি সংস্কারের ব্যবস্থা করার চেস্টা করবো

এ বিষয়ে উপজেলার এলজিইডি প্রকৌশলী মোঃ আরজুরুল হক বলেন, সংশ্লিষ্ট আবেদনপত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশ, পূর্ণ ঠিকানা এবং রাস্তার আইডি নম্বরসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে। পরবর্তীতে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হলে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow