বাউফলে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন
পটুয়াখালীর বাউফলে তীব্র বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। একদিকে লোডশেডিং অন্যদিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগও উঠেছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে থমকে গেছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। বরফকল ও করাতকল বন্ধ থাকায় কাজ হারিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন অনেক শ্রমিক, আর প্রতিদিন আর্থিক লোকসান গুনছেন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা। হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাবের কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসাবাড়িতে ফ্রিজ, টেলিভিশন ও পানির মোটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শিশু, বৃদ্ধসহ অনেকে বিদ্যুৎবিহীন গরমে অসুস্থও হয়ে পড়ছেন। তার ওপর আবার মাস শেষে বর্ধিত মূল্যের বিদ্যুৎ বিল দেওয়াকে গ্রাহকরা বলছেন ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’। বাউফল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. মজিবুর রহমান চৌধুরী জানান, উপজেলায় দিন ও রাতের চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। দিনে ১১ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মাত
পটুয়াখালীর বাউফলে তীব্র বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। একদিকে লোডশেডিং অন্যদিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগও উঠেছে।
ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে থমকে গেছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। বরফকল ও করাতকল বন্ধ থাকায় কাজ হারিয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন অনেক শ্রমিক, আর প্রতিদিন আর্থিক লোকসান গুনছেন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকরা। হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাবের কার্যক্রম প্রায় বন্ধ। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসাবাড়িতে ফ্রিজ, টেলিভিশন ও পানির মোটরসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। শিশু, বৃদ্ধসহ অনেকে বিদ্যুৎবিহীন গরমে অসুস্থও হয়ে পড়ছেন। তার ওপর আবার মাস শেষে বর্ধিত মূল্যের বিদ্যুৎ বিল দেওয়াকে গ্রাহকরা বলছেন ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’।
বাউফল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. মজিবুর রহমান চৌধুরী জানান, উপজেলায় দিন ও রাতের চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। দিনে ১১ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ৪-৬ মেগাওয়াট এবং রাতে ১৮ মেগাওয়াট চাহিদার জায়গায় মিলছে মাত্র ৬-১০ মেগাওয়াট। গ্যাস সংকটের কারণে উৎপাদন কম।
পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি এ কর্মকর্তা।
What's Your Reaction?