বাকাতলায় ভারতীয় ২৮ গরু জব্দ
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী বাকাতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৮টি ভারতীয় গরু ও একটি স্টিল বডির নৌকা জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ হওয়া গরু ও নৌকার আনুমানিক মূল্য ২৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়। বিজিবি জানায়, বুধবার রাত দেড়টার দিকে নিয়মিত টহলের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বাকাতলা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সীমান্তের মেইন পিলার ১১৯০/১০-এস থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভারত থেকে আনা একটি স্টিল বডির নৌকাসহ মাঝারি আকারের ২৮টি ভারতীয় গরু জব্দ করা হয়। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের বাঙ্গালভিটা সীমান্তকে ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি চক্র ভারতীয় গরু, মাদক ও প্রসাধনসামগ্রীসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাই পণ্য দেশে প্রবেশ করাচ্ছে। বাকাতলাসহ আশপাশের এলাকায় চোরাচালান বাড়লেও তা স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে বিজিবি সেক্ট
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার সীমান্তবর্তী বাকাতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৮টি ভারতীয় গরু ও একটি স্টিল বডির নৌকা জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দ হওয়া গরু ও নৌকার আনুমানিক মূল্য ২৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা পালিয়ে যায়।
বিজিবি জানায়, বুধবার রাত দেড়টার দিকে নিয়মিত টহলের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বাকাতলা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সীমান্তের মেইন পিলার ১১৯০/১০-এস থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এ সময় ভারত থেকে আনা একটি স্টিল বডির নৌকাসহ মাঝারি আকারের ২৮টি ভারতীয় গরু জব্দ করা হয়। তবে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের বাঙ্গালভিটা সীমান্তকে ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি চক্র ভারতীয় গরু, মাদক ও প্রসাধনসামগ্রীসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাই পণ্য দেশে প্রবেশ করাচ্ছে। বাকাতলাসহ আশপাশের এলাকায় চোরাচালান বাড়লেও তা স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
এ বিষয়ে বিজিবি সেক্টর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির বলেন, সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। জব্দ করা গরু ও নৌকার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে সেগুলো কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
What's Your Reaction?