বাগদানের গুঞ্জনে কঙ্গনা
বলিউডের আলোচিত ও সমালোচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। অভিনয়ে দক্ষতা থাকলেও, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন এই সুন্দরী। এবারও তার ব্যতিক্রম কিছু হয়নি, তবে অভিনেত্রী এবার আলোচনায় এসেছেন বাগদানের গুঞ্জনে। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অভিনেত্রীর সোশ্যাল হ্যান্ডেল ইন্সটাগ্রামে এক গুচ্ছ ছবি পোস্ট করতেই ফের কঙ্গনাকে ঘিরে শুরু হয় আলোচনা। প্রকাশিত সেই ছবিতে দেখা যায়, কঙ্গনার বাম হাতের অনামিকায় জ্বলজ্বলে হীরার আংটি, যা দেখে অনেকেই অনুমান করেছেন, কঙ্গনা নাকি বাগদান সেরেছেন। এদিকে তার পরনের গুজরাটের বিখ্যাত পাটোলা সিল্ক দেখে অনেকে আবার দু’য়ে দু’য়ে চার করতে চেয়েছেন যে, পাত্র গুজরাটি। এই প্রথম নয়, এর আগে গত দীপাবলিতেও গুজরাটের শাড়ি পরেছিলেন কঙ্গনা। বারবার গুজরাটের বিভিন্ন শাড়ির প্রতি তার মুগ্ধতা, সঙ্গে অনামিকায় হীরার আংটি দেখে নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন গুজরাটের পাত্রকেই নাকি জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছেছেন কঙ্গনা। যদিও নেটিজেনদের একাংশ কঙ্গনার হয়েই কথা বলেছেন। কেউ লিখেছেন, ‘কঙ্গনার নিজেই নিজেকে একটা হিরের আংটি উপহার দেওয়ার সামর্থ্য আছে। তার জন্য তা
বলিউডের আলোচিত ও সমালোচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। অভিনয়ে দক্ষতা থাকলেও, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের নানা কর্মকাণ্ডের কারণে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন এই সুন্দরী। এবারও তার ব্যতিক্রম কিছু হয়নি, তবে অভিনেত্রী এবার আলোচনায় এসেছেন বাগদানের গুঞ্জনে।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অভিনেত্রীর সোশ্যাল হ্যান্ডেল ইন্সটাগ্রামে এক গুচ্ছ ছবি পোস্ট করতেই ফের কঙ্গনাকে ঘিরে শুরু হয় আলোচনা।
প্রকাশিত সেই ছবিতে দেখা যায়, কঙ্গনার বাম হাতের অনামিকায় জ্বলজ্বলে হীরার আংটি, যা দেখে অনেকেই অনুমান করেছেন, কঙ্গনা নাকি বাগদান সেরেছেন।
এদিকে তার পরনের গুজরাটের বিখ্যাত পাটোলা সিল্ক দেখে অনেকে আবার দু’য়ে দু’য়ে চার করতে চেয়েছেন যে, পাত্র গুজরাটি। এই প্রথম নয়, এর আগে গত দীপাবলিতেও গুজরাটের শাড়ি পরেছিলেন কঙ্গনা। বারবার গুজরাটের বিভিন্ন শাড়ির প্রতি তার মুগ্ধতা, সঙ্গে অনামিকায় হীরার আংটি দেখে নেটিজেনদের অনেকেই বলছেন গুজরাটের পাত্রকেই নাকি জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছেছেন কঙ্গনা।
যদিও নেটিজেনদের একাংশ কঙ্গনার হয়েই কথা বলেছেন। কেউ লিখেছেন, ‘কঙ্গনার নিজেই নিজেকে একটা হিরের আংটি উপহার দেওয়ার সামর্থ্য আছে। তার জন্য তাকে কারও উপহারের অপেক্ষা করতে হয় না।‘ কেউ আবার লিখেছেন, ‘অনামিকায় হীরার আংটি মানেই তা বাগদানের আংটি হবে এমনটা কোথায় লেখা আছে?’ যদিও এই জল্পনায় এখনও কঙ্গনার তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
উল্লেখ্য, কঙ্গনা বরাবরই ফ্যাশন সচেতন। রাজনীতির ইনিংস শুরু করার পর অবশ্য তার সাজপোশাকে শাড়ি কিংবা হিমাচলী পোশাকই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। কখনও আবার তার পোশাকে ফুটে উঠেছে লাদাখের সূক্ষ কারুকার্য। পার্লামেন্টে যাওয়ার সময় সাধারণত সুতি বা হ্যান্ডলুমের শাড়িই কঙ্গনা বেশি পরেন।
What's Your Reaction?