বাজার মূলধন কমলো সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা 

গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই দরপতন হয়েছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বাড়ার তুলনায় দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে কমেছে মূল্যসূচক। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমায় প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার ওপরে কমে গেছে।   গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১২০টির শেয়ার ও ইউনিটের স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ২৪০টির। এছাড়া ২৬ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।  এতে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ এক হাজার ২৭০ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে যা ছিল ৭ লাখ ১০ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৯ হাজার ৬১৩ কোটি টাকা। অবশ্য এর আগে তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ে ১৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা।   আরও পড়ুন সার্কভুক্ত দেশে রপ্তানিতে অগ্রগতি নেই বাংলাদেশের বাজার মূলধন কমার পাশাপাশি গত সপ্তাহে প্রধান মূল্যসূচকেরও বড় পতন হয়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল

বাজার মূলধন কমলো সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা 

গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসেই দরপতন হয়েছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বাড়ার তুলনায় দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে কমেছে মূল্যসূচক। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম কমায় প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার ওপরে কমে গেছে।  

গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১২০টির শেয়ার ও ইউনিটের স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ২৪০টির। এছাড়া ২৬ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। 

এতে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ এক হাজার ২৭০ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে যা ছিল ৭ লাখ ১০ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৯ হাজার ৬১৩ কোটি টাকা। অবশ্য এর আগে তিন সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন বাড়ে ১৮ হাজার ৩৫৭ কোটি টাকা।  

বাজার মূলধন কমার পাশাপাশি গত সপ্তাহে প্রধান মূল্যসূচকেরও বড় পতন হয়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে কমেছে ৯৬ দশমিক শূন্য ৬ পয়েন্ট বা এক দশমিক ৬৩ শতাংশ। আগের তিন সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ২৪৭ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট।

অপর দুই সূচকের মধ্যে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ২৩ দশমিক ৮০ পয়েন্ট বা এক দশমিক ৯৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ১৭ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বা এক দশমিক ৪৯ শতাংশ।

আর বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ৩৪ দশমিক ৯১ পয়েন্ট বা এক দশমিক ৫৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৪৯ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ২৯ শতাংশ।

গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের গতিও কমেছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৬৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় এক হাজার ৪৭৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ৪১১ কোটি ৫৮ লাখ টাকা বা ২৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। 

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা টেকনো ড্রাগসের শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ২২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে ২০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আইটি কনসালটেন্টস।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, সিটি ব্যাংক, ফারইস্ট নিটিং, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স এবং ব্র্যাক ব্যাংক। 

এমএএস/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow