বাজার মূলধন কমলো ২৯৯ কোটি টাকা, গতি কমেছে লেনদেনের
গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসে কমেছে মূল্যসূচক। একই সঙ্গে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন ২৯৯ কোটি টাকা কমে গেছে। পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের গতি। তবে বেড়েছে প্রধান মূল্যসূচক। গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৬২টির শেয়ার ও ইউনিটের স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ২০৮টির। এছাড়া ১৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৭ লাখ ৭ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ, সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ২৯৯ কোটি টাকা। আরও পড়ুন ছয় মাসে সরকার ভিন্ন কিছু দেখাতে পারেনি বাজার মূলধন কমলেও গত সপ্তাহে প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ২২ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৩৪ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বা শূন্
গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসে কমেছে মূল্যসূচক। একই সঙ্গে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন ২৯৯ কোটি টাকা কমে গেছে। পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের গতি। তবে বেড়েছে প্রধান মূল্যসূচক।
গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৬২টির শেয়ার ও ইউনিটের স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ২০৮টির। এছাড়া ১৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
এতে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭ হাজার ৬১৫ কোটি টাকা। যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৭ লাখ ৭ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ, সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ২৯৯ কোটি টাকা।

ছয় মাসে সরকার ভিন্ন কিছু দেখাতে পারেনি
বাজার মূলধন কমলেও গত সপ্তাহে প্রধান মূল্যসূচক বেড়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ২২ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ৩৪ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৯ শতাংশ।
অপর দুই সূচকের মধ্যে ইসলামি শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে কমেছে ৩ দশমিক ৫৬ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ১৪ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট বা এক দশমিক ২২ শতাংশ।
এছাড়া, বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে শূন্য দশমিক ৮৮ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ২৫ দশমিক ৩৭ পয়েন্ট বা এক দশমিক ১৪ শতাংশ।

ভরিতে সোনার দাম বাড়লো ২১৫৮ টাকা
গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের গতিও কমেছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯৯৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় এক হাজার ১৮১ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন কমেছে ১৮৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা বা ১৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে বেক্সিমকোর শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শার্প ইন্ডাস্ট্রিজরে শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে ২৫ কোটি ৩৬ লাখ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মালেক স্পিনিং।
এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- সায়হাম টেক্সটাইল, এমএল ডাইং, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, ব্র্যাক ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস এবং প্রাইম ইন্স্যুরেন্স।
এমএএস/কেএসআর
What's Your Reaction?