বাজার মূলধন বাড়লো দুই হাজার কোটি টাকা 

গত সপ্তাহ কিছুটা ঊর্ধ্বমুখিতার মধ্যদিয়ে পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। এতে সপ্তাহজুড়ে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। এতে বেড়েছে মূল্যসূচক। সেই সঙ্গে ডিএসইর বাজার মূলধন প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা বেড়ে গেছে। বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবস মূল্যসূচক বেড়েছে। বিপরীতে দুই কার্যদিবসে কমেছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে, তার থেকে বেশি প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে।  সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৯৪টির শেয়ার ও ইউনিটের স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৮টির। আর ২৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা। বাজার মূলধন কমার পাশাপাশি গত সপ্তাহে মূল্যস

বাজার মূলধন বাড়লো দুই হাজার কোটি টাকা 

গত সপ্তাহ কিছুটা ঊর্ধ্বমুখিতার মধ্যদিয়ে পার করেছে দেশের শেয়ারবাজার। এতে সপ্তাহজুড়ে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিসংখ্যক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। এতে বেড়েছে মূল্যসূচক। সেই সঙ্গে ডিএসইর বাজার মূলধন প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা বেড়ে গেছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবস মূল্যসূচক বেড়েছে। বিপরীতে দুই কার্যদিবসে কমেছে। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে, তার থেকে বেশি প্রতিষ্ঠানের দাম বেড়েছে। 

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৯৪টির শেয়ার ও ইউনিটের স্থান হয়েছে দাম বাড়ার তালিকায়। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৮টির। আর ২৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৬ লাখ ৮৫ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৯১৯ কোটি টাকা।

বাজার মূলধন কমার পাশাপাশি গত সপ্তাহে মূল্যসূচকও বেড়েছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ৪১ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বা দশমিক ৭৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে দশমিক পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ২ শতাংশ।

অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ২৪ দশমিক ৭১ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ২৪ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি কমে ১১ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট বা দশমিক ৬০ শতাংশ।

আর ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ্ সূচক গত সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে দশমিক ২১ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। আগের সপ্তাহে সূচকটি বাড়ে ৩ দশমিক ২৬ পয়েন্ট বা দশমিক ৩১ শতাংশ।

এদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেনের গতি বেড়েছে। সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৯০২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৮১৮ কোটি ২৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৮৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা বা দশমিক ২৪ শতাংশ।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে সিটি ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৩ দশমিক ৫৩ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিংয়ের শেয়ার প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। প্রতিদিন গড়ে ২১ কোটি ১৩ লাখ টাকা লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে একমি পেস্টিসাইড।

এছাড়া লেনদেনের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, সামিট এলায়েন্স পোর্ট, লাভেলো আইসক্রিম, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, অ্যাপেক্স স্পিনিং, রানার অটোমোবাইল এবং সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ।

এমএএস/ইএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow