বাবার মৃত্যুকে ‘হত্যা মামলা’ সাজিয়ে ভাইকে ফাঁসানোর অভিযোগ
সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা নিহতের ঘটনাকে ‘হত্যাকাণ্ড’ উল্লেখ করে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগ উঠেছে এক বোনের বিরুদ্ধে। নিজেকে এই ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সোহেল রানা। বুধবার (৮ এপ্রিল) সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, ‘মিথ্যা মামলার চাপে আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সংশ্লিষ্ট সব নথিপত্র প্রমাণ করে যে আমার পিতার মৃত্যুর কারণ ছিল একটি সড়ক দুর্ঘটনা। আমি প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’ সোহেল রানার ভাষ্যমতে, পৈতৃক সম্পত্তির অংশীদারিত্ব নিয়ে গত এক যুগ ধরে তার আপন তিন বোন— মিনা, রত্না ও মনোয়ারার সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। নিজের ন্যায্য হিস্যা দাবি করা এবং সচ্ছল জীবনযাপনের কারণে বোনরা দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর প্রতিহিংসা পোষণ করে আসছিলেন। ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি সোহেল রানার পিতা রইস উদ্দিন নিখোঁজ হন। পরদিন ২২ জানুয়ারি সরিষাবাড়ী থানায় এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়ের
সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা নিহতের ঘটনাকে ‘হত্যাকাণ্ড’ উল্লেখ করে আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগ উঠেছে এক বোনের বিরুদ্ধে। নিজেকে এই ষড়যন্ত্রের শিকার দাবি করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সোহেল রানা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘মিথ্যা মামলার চাপে আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ও চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সংশ্লিষ্ট সব নথিপত্র প্রমাণ করে যে আমার পিতার মৃত্যুর কারণ ছিল একটি সড়ক দুর্ঘটনা। আমি প্রশাসনের কাছে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ষড়যন্ত্রকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’
সোহেল রানার ভাষ্যমতে, পৈতৃক সম্পত্তির অংশীদারিত্ব নিয়ে গত এক যুগ ধরে তার আপন তিন বোন— মিনা, রত্না ও মনোয়ারার সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। নিজের ন্যায্য হিস্যা দাবি করা এবং সচ্ছল জীবনযাপনের কারণে বোনরা দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর প্রতিহিংসা পোষণ করে আসছিলেন।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ২১ জানুয়ারি সোহেল রানার পিতা রইস উদ্দিন নিখোঁজ হন। পরদিন ২২ জানুয়ারি সরিষাবাড়ী থানায় এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
পরে ২৩ জানুয়ারি পুলিশের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, টাঙ্গাইলের মধুপুর এলাকায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় রইস উদ্দিন গুরুতর আহত হয়েছেন। পরবর্তীতে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সোহেল রানা অভিযোগ করেন, দাপ্তরিক নথিপত্র অনুযায়ী বাবার মৃত্যু সড়ক দুর্ঘটনায় হলেও তার বোন মিনা ও চাচাতো ভাই মিজানুর রহমান বিষয়টিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে প্রচার করছেন। তাকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন ও আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে তারা মধুপুর আদালতে একটি মিথ্যা হত্যা মামলা করেছেন। এই মামলায় তাকে প্রধান আসামি করে মোট ৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
সাবেক এই কাউন্সিলর দাবি করেন, গত ২৮ মার্চ প্রতিপক্ষরা দুই দফায় তার বাড়িতে হামলা ও ব্যাপক লুটপাট চালায়। শুধু তাই নয়, লুটপাটের ঘটনা ধামাচাপা দিতে উল্টো তার বিরুদ্ধেই আরেকটি মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিয়মিত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
মামলার বাদী মিনা বেগম বলেন, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত সোহেল রানা বিবাদ করে আসছে। আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার জন্যই বাবাকে কৌশলে হত্যা করেছে। আমরা এর বিচার চাই।
What's Your Reaction?