বাবার মৃত্যুর খবর দিতে গিয়ে ঘরে মিললো ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সিএনজিচালিত এক অটোরিকশা চালকের মৃত্যুর খবর জানাতে গিয়ে তার ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ পেয়েছেন স্বজনরা। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের দমদমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন অটোরিকশাচালক শাহজাহান (৬০) এবং তার ছেলে উজ্জ্বল (৩৬)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহজাহান দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রোক করে শয্যাশায়ী অবস্থায় ছিলেন। তার পারিবারিক জীবনে অনেক টানাপোড়েন চলছিল। সন্তানরা আলাদা বসবাস করছিলেন। বৃহস্পতিবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে শাহজাহানকে তার মেয়ের জামাতা জামাল হোসেন সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শাহজাহানের মৃত্যুর খবর তার মেয়ের জামাতা ছেলে উজ্জ্বলকে জানাতে বাড়িতে যান। এসময় তিনি উজ্জ্বলের ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে জানালার অংশ খুলতেই ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। পরে জানালার পর্দা সরাতেই উজ্জ্বলের মরদেহ ঝুলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ করে। জামাল হোসেন জানান, শ্বশুরের মৃত্যুর পর ছেলেকে ডাকতে গিয়ে তিনি এমন ভয়াবহ দৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। কিন্তু মৃত্যু সম্পর্কে
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সিএনজিচালিত এক অটোরিকশা চালকের মৃত্যুর খবর জানাতে গিয়ে তার ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ পেয়েছেন স্বজনরা।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের দমদমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন অটোরিকশাচালক শাহজাহান (৬০) এবং তার ছেলে উজ্জ্বল (৩৬)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শাহজাহান দীর্ঘদিন ধরে স্ট্রোক করে শয্যাশায়ী অবস্থায় ছিলেন। তার পারিবারিক জীবনে অনেক টানাপোড়েন চলছিল। সন্তানরা আলাদা বসবাস করছিলেন। বৃহস্পতিবার হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে শাহজাহানকে তার মেয়ের জামাতা জামাল হোসেন সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহজাহানের মৃত্যুর খবর তার মেয়ের জামাতা ছেলে উজ্জ্বলকে জানাতে বাড়িতে যান। এসময় তিনি উজ্জ্বলের ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া না পেয়ে জানালার অংশ খুলতেই ভেতর থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। পরে জানালার পর্দা সরাতেই উজ্জ্বলের মরদেহ ঝুলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ করে।
জামাল হোসেন জানান, শ্বশুরের মৃত্যুর পর ছেলেকে ডাকতে গিয়ে তিনি এমন ভয়াবহ দৃশ্য দেখতে পেয়েছেন। কিন্তু মৃত্যু সম্পর্কে তারা কিছুই জানতেন না।
এ বিষয়ে সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সারোয়ার জাগো নিউজকে বলেন, ‘ছেলেটির মৃত্যু অন্তত-৩-৪ দিন আগে হয়েছে ধারণা করছি। অর্থাৎ বাবার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। মরদেহ পচে যাওয়ায় শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি-না দেখা সম্ভব হয়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
মো.আকাশ/এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?