বাল্যবিবাহ একটি শিশুর স্বপ্নকে ধ্বংস করে : ডিসি নারায়ণগঞ্জ
বাল্যবিবাহ শুধু একটি দণ্ডনীয় অপরাধই নয়, এটি একটি শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্বপ্নকে ধ্বংস করে দেয় বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির। তিনি বলেন, বাল্যবিবাহে কোনো নিকাহ রেজিস্ট্রার বা বিবাহ নিবন্ধকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলাও দায়ের করা হবে। বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘নিকাহ রেজিস্ট্রার ও হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাল্যবিবাহ নিরোধে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নিকাহ রেজিস্ট্রার ও বিবাহ নিবন্ধকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই এবং বিদ্যমান আইন মেনে বিবাহ নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ জন্য সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিবাহ নিবন্ধনের
বাল্যবিবাহ শুধু একটি দণ্ডনীয় অপরাধই নয়, এটি একটি শিশুর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্বপ্নকে ধ্বংস করে দেয় বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রায়হান কবির।
তিনি বলেন, বাল্যবিবাহে কোনো নিকাহ রেজিস্ট্রার বা বিবাহ নিবন্ধকের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তার লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি ফৌজদারি মামলাও দায়ের করা হবে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘নিকাহ রেজিস্ট্রার ও হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বাল্যবিবাহ নিরোধে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নিকাহ রেজিস্ট্রার ও বিবাহ নিবন্ধকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক তথ্য যাচাই-বাছাই এবং বিদ্যমান আইন মেনে বিবাহ নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। এ জন্য সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ আব্দুল হাফিজের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিবাহ নিবন্ধনের ক্ষেত্রে বয়স যাচাইয়ের বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। জন্ম নিবন্ধন সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র কিংবা পিএসসি, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার সনদ ছাড়া কোনোভাবেই বয়স গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানানো হয়। মৌখিক তথ্য বা এফিডেভিটের ভিত্তিতে বয়স নির্ধারণকে সম্পূর্ণভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়।
এছাড়া সন্দেহজনক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগের নির্দেশনা দেওয়া হয়। অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সার্ভারের মাধ্যমে বয়স যাচাইয়ের পদ্ধতি রেজিস্ট্রারদের শেখানোর আশ্বাস দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং জোরদার করতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিবাহ নিবন্ধন চালুর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মশালায় বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়াতে মসজিদ, মন্দির ও স্থানীয় কমিউনিটিতে প্রচার কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান জানানো হয়। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকার নিকাহ রেজিস্ট্রার ও হিন্দু বিবাহ নিবন্ধকরা অংশগ্রহণ করেন।
What's Your Reaction?