বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার পর পরিদর্শনে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী

পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয় এলাকা, লোকাই ঝোরার তীরের মানুষরা ভাঙনের মুখে থাকে পুরো বর্ষা মৌসুম। একমাস আগে পাহাড়ি ঢলের গতি বুঝে খবর জানানো হয় জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামানকে। কোনো কর্ণপাত করেননি তিনি। একমাস পেরিয়ে ১৬ জুন আবার পাহাড়ি ঢলে ঝোরার পানি বাড়তে থাকে। শুরু হয় ভাঙন, আবারও জানানো হয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তাদের। অবশেষে শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে আসেন নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান। জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের পাথরেরচর লোকাই ঝোরার তীরে এসে তিনি ভুক্তভোগীদের ভাঙন ঠেকানোর চিত্র দেখেন সরেজমিনে। স্থানীয় শাহজালাল বলেন, একমাস আগে জানানো হয়েছে, আবার যেদিন থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে সেদিনও জানানো হয়েছে। এরপর কী আর করার, সবাই যার যার অবস্থান থেকে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। সরেজমিনে দেখা যায়, পাথরের চরের আতাব আলী, নসু, আলী আহাম্মদ, তারা মিয়া, রশিদ পাগলা,শাহাদাৎ, জহুরুল, বাবলু, হাফেজ, ছবর আলী, নুর ইসলাম, আলম মিয়ার পরিবারের বসতঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব পরিবারের ২০টি ঘর এবং গাছপালা তলিয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। গ্রামের একমাত্র রাস্তা যেন ভেঙে না পড়ে এবং রাস

বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ার পর পরিদর্শনে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী

পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয় এলাকা, লোকাই ঝোরার তীরের মানুষরা ভাঙনের মুখে থাকে পুরো বর্ষা মৌসুম। একমাস আগে পাহাড়ি ঢলের গতি বুঝে খবর জানানো হয় জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামানকে। কোনো কর্ণপাত করেননি তিনি। একমাস পেরিয়ে ১৬ জুন আবার পাহাড়ি ঢলে ঝোরার পানি বাড়তে থাকে। শুরু হয় ভাঙন, আবারও জানানো হয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তাদের।

অবশেষে শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে আসেন নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান। জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের পাথরেরচর লোকাই ঝোরার তীরে এসে তিনি ভুক্তভোগীদের ভাঙন ঠেকানোর চিত্র দেখেন সরেজমিনে।

স্থানীয় শাহজালাল বলেন, একমাস আগে জানানো হয়েছে, আবার যেদিন থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে সেদিনও জানানো হয়েছে। এরপর কী আর করার, সবাই যার যার অবস্থান থেকে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, পাথরের চরের আতাব আলী, নসু, আলী আহাম্মদ, তারা মিয়া, রশিদ পাগলা,শাহাদাৎ, জহুরুল, বাবলু, হাফেজ, ছবর আলী, নুর ইসলাম, আলম মিয়ার পরিবারের বসতঘর পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব পরিবারের ২০টি ঘর এবং গাছপালা তলিয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।

গ্রামের একমাত্র রাস্তা যেন ভেঙে না পড়ে এবং রাস্তার পাশে শেষ অংশটুকু রক্ষা করতে বাঁশের বেড়া দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।

ক্ষতিগ্রস্ত তারা মিয়া বলেন, তিন দিন ধরে ভাঙছে, পানি অনেক বেশি ছিল তাই কিছু করতে পারিনি। আজ বেড়া দিয়ে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছি।

স্থানীয় শান্তি মন্ডল পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের সূত্র ধরে বলেন, তারা আজ আসছেন, তারা নাকি জুন মাসের কাজে ব্যস্ত তাই আসতে দেরি হয়েছে। এর মধ্যে এতগুলো ঘর পানিতে তলিয়ে গেলেও কারো সময় হয়নি।

জামালপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নকিবুজ্জামান বলেন, কাজে ব্যস্ত থাকলেও বন্ধের দিন শুক্রবার ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। সমস্যা সমাধানে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow