বাড়িতে ঢুকে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় শফিকুল ইসলাম নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে মুক্তাগাছা উপজেলার কুমারগাতা ইউনিয়নের শ্যামপুর ঘোষবাড়ী (পুলিশ মোড়) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  নিহত শফিকুল ইসলাম (৩৮) ওই এলাকার কাশেম আলীর ছেলে। তিনি পেশায় নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে শফিকুল ইসলাম নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় ভ্যানচালক আবুল হোসেন বলেন, এমন ঘটনা দুঃখজনক। আমরা এই নৃশংসতার সুষ্ঠু বিচার চাই। একই এলাকার বাসিন্দা লাইলী আক্তার বলেন, কোনো হত্যাই আমাদের কাম্য নয়। যারা শফিকুলকে এভাবে মেরেছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। মুক্তাগাছা থানার ওসি মো. লুৎফুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়ম

বাড়িতে ঢুকে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় শফিকুল ইসলাম নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে মুক্তাগাছা উপজেলার কুমারগাতা ইউনিয়নের শ্যামপুর ঘোষবাড়ী (পুলিশ মোড়) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।  নিহত শফিকুল ইসলাম (৩৮) ওই এলাকার কাশেম আলীর ছেলে। তিনি পেশায় নির্মাণ শ্রমিক ছিলেন। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে শফিকুল ইসলাম নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছিলেন। রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুর্বৃত্তরা তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় ভ্যানচালক আবুল হোসেন বলেন, এমন ঘটনা দুঃখজনক। আমরা এই নৃশংসতার সুষ্ঠু বিচার চাই। একই এলাকার বাসিন্দা লাইলী আক্তার বলেন, কোনো হত্যাই আমাদের কাম্য নয়। যারা শফিকুলকে এভাবে মেরেছে, তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। মুক্তাগাছা থানার ওসি মো. লুৎফুর রহমান বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী মোছা. লাবনী আক্তার ও মেয়ে ইভাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। তিনি আরও বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে। আশা করছি, খুব দ্রুতই আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow