বাড়িতে ৫ ব্যারেল ডিজেল মজুত, ইউপি সদস্যকে জেল-জরিমানা
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় অবৈধভাবে ডিজেল মজুত করার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এক ইউপি সদস্যকে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম।
দণ্ডপ্রাপ্ত শাহিনুর ইসলাম মোমিনপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি আমিরপুর গ্রামের তফেল উদ্দিনের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে শাহিনুর ইসলামের বাড়িতে ৫ ব্যারেল (প্রায় ১ হাজার লিটার) ডিজেল অবৈধভাবে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অভিযোগ স্বীকার করেন তিনি।
এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৫ ধারায় তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে মজুত ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ ডিজেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে বিক্রয় করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জানান,
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় অবৈধভাবে ডিজেল মজুত করার অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এক ইউপি সদস্যকে জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়নের আমিরপুর গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করেন সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম।
দণ্ডপ্রাপ্ত শাহিনুর ইসলাম মোমিনপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি আমিরপুর গ্রামের তফেল উদ্দিনের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযানকালে শাহিনুর ইসলামের বাড়িতে ৫ ব্যারেল (প্রায় ১ হাজার লিটার) ডিজেল অবৈধভাবে মজুত অবস্থায় পাওয়া যায়, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অভিযোগ স্বীকার করেন তিনি।
এ অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৫ ধারায় তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে মজুত ডিজেল জব্দ করা হয়েছে।
জব্দ ডিজেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ ভোক্তাদের মাঝে বিক্রয় করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি একজন জনপ্রতিনিধি হওয়ায় তার বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে, যা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়াও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় স্থানীয় কিছু ব্যক্তি বাধা দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হবে।