বাড়িতেই ঝটপট তৈরি করুন মেক্সিকান নাচোস
বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টের সময় ম্যাচ দেখা শুধু খেলা উপভোগ করার বিষয় নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে যায় পুরো একটা উৎসবের আবহ। বিশেষ করে মেক্সিকোতে ফুটবল মানেই যেন এক আনন্দঘন সামাজিক অনুষ্ঠান, যেখানে পরিবার ও বন্ধুরা একসঙ্গে জড়ো হয়ে খেলা দেখে, হাসি-আড্ডায় মেতে ওঠে। আর এই উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো তাদের জনপ্রিয় খাবার হলো নাচোস। টিভির সামনে বসে বন্ধুদের সঙ্গে নাচোস ভাগ করে খাওয়া, গোল হলে একসঙ্গে উল্লাস করা যেন তাদের ম্যাচ ডে কালচার। এই খাবারগুলো শুধু পেট ভরায় না, বরং একে অন্যের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির সুযোগ তৈরি করে। এই মেক্সিকান নাচোস খুব অল্প সময়েই ঘরে তৈরি করা যায়। তাই আপনি চাইলে ও বাড়িতে খুব সহজে বানিয়ে নিতে পারেন। উপকরণ মুরগির হাড় ছাড়া ২ কাপ পেঁয়াজকুচি ১ কাপ আদাকুচি ১ চা চামচ রসুনকুচি ১ চা চামচ লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ গরম মসলার গুঁড়া আধা চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ পাপরিকা ১ চা চামচ লেবুর রস ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ২-৩ টেবিল চামচ মোজেরেলা চিজ ১ কাপ লবণ স্বাদমতো নাচোস চিপসের জন্য ভুট্টার আটা ১ কাপ ময়দা আধা কাপ লবণ স্বাদমতো হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়
বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টের সময় ম্যাচ দেখা শুধু খেলা উপভোগ করার বিষয় নয়, বরং এর সঙ্গে জড়িয়ে যায় পুরো একটা উৎসবের আবহ। বিশেষ করে মেক্সিকোতে ফুটবল মানেই যেন এক আনন্দঘন সামাজিক অনুষ্ঠান, যেখানে পরিবার ও বন্ধুরা একসঙ্গে জড়ো হয়ে খেলা দেখে, হাসি-আড্ডায় মেতে ওঠে। আর এই উৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো তাদের জনপ্রিয় খাবার হলো নাচোস।
টিভির সামনে বসে বন্ধুদের সঙ্গে নাচোস ভাগ করে খাওয়া, গোল হলে একসঙ্গে উল্লাস করা যেন তাদের ম্যাচ ডে কালচার। এই খাবারগুলো শুধু পেট ভরায় না, বরং একে অন্যের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগির সুযোগ তৈরি করে।
এই মেক্সিকান নাচোস খুব অল্প সময়েই ঘরে তৈরি করা যায়। তাই আপনি চাইলে ও বাড়িতে খুব সহজে বানিয়ে নিতে পারেন।
উপকরণ
- মুরগির হাড় ছাড়া ২ কাপ
- পেঁয়াজকুচি ১ কাপ
- আদাকুচি ১ চা চামচ
- রসুনকুচি ১ চা চামচ
- লাল মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ
- ধনে গুঁড়া আধা চা চামচ
- গরম মসলার গুঁড়া আধা চা চামচ
- গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ
- পাপরিকা ১ চা চামচ
- লেবুর রস ২ টেবিল চামচ
- অলিভ অয়েল ২-৩ টেবিল চামচ
- মোজেরেলা চিজ ১ কাপ
- লবণ স্বাদমতো
নাচোস চিপসের জন্য
- ভুট্টার আটা ১ কাপ
- ময়দা আধা কাপ
- লবণ স্বাদমতো
- হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ
- মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ
- তেল ১ টেবিল চামচ এবং ভাজার জন্যপরিমাণমতো
- কুসুম গরম পানি পরিমাণমতো
- লবণ স্বাদমতো
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে একটি পাত্রে ভুট্টার আটা, ময়দা, লবণ, হলুদ, মরিচ ও তেল একসঙ্গে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এরপর কুসুম গরম পানি ধীরে ধীরে দিয়ে রুটির ডোয়ের চেয়ে একটু শক্ত একটি ডো তৈরি করুন। ডো তৈরি হয়ে গেলে সেটিকে সমান কয়েকটি ভাগে ভাগ করুন। এবার প্রতিটি অংশ পাতলা রুটির মতো বেলে নিন। একটি পিৎজা কাটার বা ছুরির সাহায্যে রুটিগুলোকে চার ভাগে কেটে নিন, তারপর ছোট ছোট ত্রিভুজাকৃতি নাচোসের শেপে কেটে নিন। চিপসগুলো যেন ফুলে না যায়, সেজন্য কাঁটা চামচ দিয়ে হালকা করে ছিদ্র করে দিন।
এখন কড়াইতে তেল গরম করে মাঝারি আঁচে নাচোস চিপসগুলো ভেজে নিন যতক্ষণ না সেগুলো বাদামি ও মচমচে হয়। ভাজা হয়ে গেলে তেল ঝরিয়ে ঠান্ডা করে রাখুন।
এবার হাড় ছাড়া মুরগির মাংস মোটা কিমা করে নিন। একটি প্যানে অলিভ অয়েল গরম করে তাতে আদা ও রসুন কুচি ভেজে নিন। এরপর মসলা মাখানো মুরগির কিমা দিয়ে নেড়ে রান্না করুন, যাতে এটি দলা বেঁধে না যায়। কিমা অর্ধেক সেদ্ধ হয়ে গেলে পেঁয়াজ কুচি দিন এবং ভাজা ভাজা হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। শেষে সামান্য লেবুর রস ছড়িয়ে নামিয়ে নিন।
এখন ওভেন ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রিহিট করে নিন। একটি বেকিং ডিশে প্রথমে কিছু নাচোস চিপস ছড়িয়ে দিন, তার ওপর মুরগির কিমা ও গ্রেট করা মোজারেলা চিজ দিন। এভাবে কয়েকটি স্তরে সাজিয়ে নিন। একেবারে ওপরে বেশি করে চিজ ছড়িয়ে দিন।
এবার ৫ মিনিট বেক করুন যতক্ষণ না চিজ গলে সোনালি হয়ে আসে। ওভেন না থাকলে চুলায় একটি কড়াইয়ে স্ট্যান্ড বসিয়ে তার ওপর প্লেট রেখে ঢেকে দিন এবং অল্প আঁচে চিজ গলানো পর্যন্ত রাখুন।
সবশেষে টমেটো কুচি, পেঁয়াজ, টমেটো সালসা এবং ধনেপাতা ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?


