বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কেউ নেই : মির্জা ফখরুল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো এখন আর কেউ নেই। তাই সবাই ধানের শীষে ভোট দিবেন। জামায়াত কখনো সরকারে গিয়ে কাজ করেনি, বিএনপি পরীক্ষিত দল।
তিনি বলেন, উন্নয়ন একমাত্র ধানের শীষ করতে পারবে আর কেউ করতে পারবে না। আমরা সেই জিয়ার সৈনিক, খালেদা জিয়ার সৈনিক। যাদের আপন ভেবে মানুষ কাঁদে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সদর উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নের শোল টহরী বাজারে বিকাল তিনটা থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।
ভোটারদের সজাগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সামনের মাসে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে। একটা দল ভোট চাইতে আসছে আপনাদের কাছে। দাঁড়িপাল্লার কথা বলছে। তারা কখনো কি সরকারে গেছে? আপনাদের জন্য কোনো কাজ করছে? করেনি। আমরা কাজ করছি। আমরা পরীক্ষিত দল। আপনাদের কাছে ভোট চেয়েছি। আপনারা ভোট দিয়েছেন। আমরা সরকারে গিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করেছি।
বিএনপির মহাসচিব উপস্থিত ভোটারদের কাছে জানতে চান, গত ১৫ বছরে আপনারা কি কেউ ভোট দিতে পেরেছেন। জবাবে ভোটাররা বলেন পারিনি। ত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো এখন আর কেউ নেই। তাই সবাই ধানের শীষে ভোট দিবেন। জামায়াত কখনো সরকারে গিয়ে কাজ করেনি, বিএনপি পরীক্ষিত দল।
তিনি বলেন, উন্নয়ন একমাত্র ধানের শীষ করতে পারবে আর কেউ করতে পারবে না। আমরা সেই জিয়ার সৈনিক, খালেদা জিয়ার সৈনিক। যাদের আপন ভেবে মানুষ কাঁদে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সদর উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নের শোল টহরী বাজারে বিকাল তিনটা থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।
ভোটারদের সজাগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, সামনের মাসে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে। একটা দল ভোট চাইতে আসছে আপনাদের কাছে। দাঁড়িপাল্লার কথা বলছে। তারা কখনো কি সরকারে গেছে? আপনাদের জন্য কোনো কাজ করছে? করেনি। আমরা কাজ করছি। আমরা পরীক্ষিত দল। আপনাদের কাছে ভোট চেয়েছি। আপনারা ভোট দিয়েছেন। আমরা সরকারে গিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করেছি।
বিএনপির মহাসচিব উপস্থিত ভোটারদের কাছে জানতে চান, গত ১৫ বছরে আপনারা কি কেউ ভোট দিতে পেরেছেন। জবাবে ভোটাররা বলেন পারিনি। তিনি বলেন, ভোটের আগের রাতেই ভোট হয়ে গেছে। আবার কখনও ভোটটা নিয়ে চলে গেছে। এই ছিল গত ১৫ বছর। এখন একটা সুযোগ আসছে, আমাদের হাসিনা আপা চলে গেছে ভারতে। চলে গেছেন ভালো করেছেন। কিন্তু আপনাদের যারা সমর্থন করতো তাদের বিপদে ফেলে গেছেন।
তিনি আরও বলেন, আমরা বলছি যারা নিরপরাধ তাদের কেউ বিপদে পড়বেন না। আমরা আছি তাদের পাশে। যারা অন্যায় করেনি তাদের কোনো শাস্তি হতে দেব না। আমি আমার এলাকার হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ-খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে কাজ করি। আমাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করি। আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই। সবাইকে সমান নিরাপত্তা দিতে চাই।
সবশেষে বিএনপির মহাসচিব বলেন, কিছু লোক হিন্দু-মুসলিম ভাগ করতে চাই। কিন্তু আমাদের ভাগ করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা হিন্দু-মুসলিম একসঙ্গে বসবাস করি।