বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারকে কেন্দ্র করে ভোলার মনপুরা উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের আটজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে মনপুরা উপজেলার তিন নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহত বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে রয়েছেন মো. গণিমাঝি, রাসেল হাওলাদার ও গণিমাঝির মা। অপরদিকে জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে আহত হয়েছেন মো. ইদ্রিস, মো. রুবেল, তারেক, মওলানা শরীফ ও মো. সাদ্দাম। জামায়াতের উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে ভোট চাইতে গেলে বিএনপির লোকজন বাধা দেয়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে জামায়াতের পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হন। অন্যদিকে বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি কামাল উদ্দিন দাবি করেন, ভোট চাওয়ার নামে জামায়াতের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে বিএনপির তিন থেকে চারজন নেতাকর্মী আহত হন।  উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ফরাজি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা একটি বাড়িতে

বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারকে কেন্দ্র করে ভোলার মনপুরা উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের আটজন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে মনপুরা উপজেলার তিন নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহত বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে রয়েছেন মো. গণিমাঝি, রাসেল হাওলাদার ও গণিমাঝির মা। অপরদিকে জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে আহত হয়েছেন মো. ইদ্রিস, মো. রুবেল, তারেক, মওলানা শরীফ ও মো. সাদ্দাম।

জামায়াতের উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি আব্দুর রহিম অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রচারের অংশ হিসেবে ভোট চাইতে গেলে বিএনপির লোকজন বাধা দেয়। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে জামায়াতের পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হন।

অন্যদিকে বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি কামাল উদ্দিন দাবি করেন, ভোট চাওয়ার নামে জামায়াতের নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে বিএনপির তিন থেকে চারজন নেতাকর্মী আহত হন। 

উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ফরাজি বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা একটি বাড়িতে ভোট চাইতে গেলে পরে জামায়াতের নেতারাও সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে বিএনপির তিনজন নেতাকর্মী আহত হন।

মনপুরা থানার ওসি শেখ ফরিদ উদ্দিন বলেন, সংঘর্ষের ঘটনার কথা শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow