বিএনপি-জামায়াতের কাছে আ.লীগের ভূমিধস পরাজয়

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। ১৫টি পদের ১৩টি পদে বিজয়ী হয়েছে এই প্যানেল। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্যানেল নামের আওয়ামী লীগের প্যানেল থেকে ২টি পদে বিজয়ী হয়েছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২০২৭ সেশনের নির্বাচনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর ১২৮৭জন ভোটারের মধ্যে ১২৫৩জন ভোটার ভোট প্রয়োগ করেছেন। এ নির্বাচনে ৩টি প্যানেলে ৩৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত দলীয় অ্যাডভোকেট সহিদ উল্লাহ। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৪৭ এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী পেয়েছেন ৩৪৯ ভোট। সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন পেয়েছেন ৬৫৭ ও অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেন মজুমদার পেয়েছেন ৫৭৯ ভোট।  সাধারণ সম্পাদক পদে জয়লাভ করেছেন বিএনপিপন্থি অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল হক খন্দকার। তার ভোট সংখ্যা ৭১০ এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নিরপেক্ষ প্যানেলের অ্যাডভোকেট নেয়ামত উল্ল্যা চৌধুরী (জাম

বিএনপি-জামায়াতের কাছে আ.লীগের ভূমিধস পরাজয়

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করেছে। ১৫টি পদের ১৩টি পদে বিজয়ী হয়েছে এই প্যানেল। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্যানেল নামের আওয়ামী লীগের প্যানেল থেকে ২টি পদে বিজয়ী হয়েছে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২০২৭ সেশনের নির্বাচনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ বছর ১২৮৭জন ভোটারের মধ্যে ১২৫৩জন ভোটার ভোট প্রয়োগ করেছেন। এ নির্বাচনে ৩টি প্যানেলে ৩৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন জামায়াত দলীয় অ্যাডভোকেট সহিদ উল্লাহ। তিনি ভোট পেয়েছেন ৬৪৭ এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী পেয়েছেন ৩৪৯ ভোট। সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন পেয়েছেন ৬৫৭ ও অ্যাডভোকেট আবদুল বাতেন মজুমদার পেয়েছেন ৫৭৯ ভোট। 

সাধারণ সম্পাদক পদে জয়লাভ করেছেন বিএনপিপন্থি অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল হক খন্দকার। তার ভোট সংখ্যা ৭১০ এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নিরপেক্ষ প্যানেলের অ্যাডভোকেট নেয়ামত উল্ল্যা চৌধুরী (জামান) পেয়েছেন ৩৬৯ ভোট। 

ট্রেজারার পদে অ্যাডভোকেট মো. আবু মুছা ভূঁঞা পেয়েছেন ৭৪০ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মোশারফ হোসেন টিটু পেয়েছেন ৪৬৬ ভোট। লাইব্রেরি সেক্রেটারি পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আবুল কাশেম (কমল) পেয়েছেন ৬১২ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মো. জহিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৩৪২ ভোট। এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহজাহান ভূঁইয়া পেয়েছেন ৬৬৫ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মো. হারুনুর রশীদ (সবুজ) পেয়েছেন ৫৪১ ভোট। রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি পদে অ্যাডভোকেট মো. সাইফুর রহমান (সায়েম) পেয়েছেন ৫৯০ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মো. আশফাক উদ্দিন ঝোটন পেয়েছেন ৪৬৩ ভোট। 

এছাড়াও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য পদে অ্যাডভোকেট মো. আবুল হাসনাত হিমেল ৮৮২ ভোট পেয়ে প্রথম হয়েছেন এবং অ্যাডভোকেট বেলাল হোসেন ৭২১ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন এবং অ্যাডভোকেট মো. সাইফুল ইসলাম ৭১৩ ভোট পেয়ে তৃতীয় হয়েছেন এবং অ্যাডভোকেট মো. ইসমাইল হোসেন ৭০৪ ভোট পেয়ে চতুর্থ হয়েছেন এবং অ্যাডভোকেট মো. লোকমান হোসেন ৬৪০ ভোট পেয়ে পঞ্চম হয়েছেন।

অন্যদিকে আওয়ামীলীগ প্যানেল থেকে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৬৯১ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ এনামুল হক সরকার পেয়েছেন ৪৮৯ ভোট ও আইটি সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শাহ আলম পেয়েছেন ৬৪২ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট ফারহানা সেলিম পেয়েছেন ৫৪৭ ভোট।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow