বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

যশোর শহরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আলমগীর হোসেন নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৭টার দিকে শংকরপুরের নয়ন কাউন্সিলরের অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলমগীর হোসেন (৩৫) যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি শংকরপুর ইসাহাক সড়ক এলাকার মৃত ইন্তাজ চৌধুরীর ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন শংকরপুর এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় অজ্ঞাতনামা একদল দুষ্কৃতকারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একটি গুলি তার মাথার বাম পাশে বিদ্ধ হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  চিকিৎসকরা জানান, মাথায় সরাসরি গুলি লাগার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ কালবেলাকে বলেন, ঘটনার পর পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে যশোর কোতো

বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা

যশোর শহরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আলমগীর হোসেন নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাত পৌনে ৭টার দিকে শংকরপুরের নয়ন কাউন্সিলরের অফিসের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আলমগীর হোসেন (৩৫) যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি শংকরপুর ইসাহাক সড়ক এলাকার মৃত ইন্তাজ চৌধুরীর ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় আলমগীর হোসেন শংকরপুর এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় অজ্ঞাতনামা একদল দুষ্কৃতকারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। একটি গুলি তার মাথার বাম পাশে বিদ্ধ হয় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। হাসপাতালের চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 
চিকিৎসকরা জানান, মাথায় সরাসরি গুলি লাগার কারণে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফারুক আহম্মেদ কালবেলাকে বলেন, ঘটনার পর পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কারা এবং কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এদিকে, ঘটনাস্থল এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow