বিএনপি শুধু স্বপ্ন দেখে না, বাস্তবায়নও করে দেখায় : রবিন

ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, বিএনপি শুধু স্বপ্ন দেখে না, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে দেখায়। ২০০১-২০০৬ এ বিএনপি সরকার গঠন করলে বেগম জিয়া যখন ক্ষমতা গ্রহণ করেন তখন এই এলাকা গ্রাম থেকে শহরের রূপ নিতে শুরু করে। আমাদের সন্তানদের জন্য প্রতিষ্ঠা হয় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে আমরা সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলাম। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে নিজ নির্বাচনী ৫৮নং পূর্ব শ্যামপুর ওয়াসা নতুন রাস্তা সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি। রবিন বলেন, বিশেষ সুবিধাভোগী মানুষ তাদের সুবিধার জন্য এই এলাকার অনেক লোককে মামলা হামলায় জড়িয়েছেন। তারা কখনো আপনার আমার ভালোর কথা কল্পনাতেও আনেননি। এই এলাকার মানুষ নাগরিক সুবিধা পায় না। আমাদের পর্যাপ্ত পাকা রাস্তা নেই, ল্যাম্পপোস্ট নেই, প্রতিনিয়ত ট্যাক্স দিই, গ্যাস পাই না ঠিক মতো। সন্ত্রাসী বাহিনীর হয়রানির কারণে ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়েছে, এলাকার ছেলেরা চাকরির সুযোগ হারিয়েছে। গুন্ডা পা

বিএনপি শুধু স্বপ্ন দেখে না, বাস্তবায়নও করে দেখায় : রবিন
ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন বলেছেন, বিএনপি শুধু স্বপ্ন দেখে না, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে দেখায়। ২০০১-২০০৬ এ বিএনপি সরকার গঠন করলে বেগম জিয়া যখন ক্ষমতা গ্রহণ করেন তখন এই এলাকা গ্রাম থেকে শহরের রূপ নিতে শুরু করে। আমাদের সন্তানদের জন্য প্রতিষ্ঠা হয় স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে আমরা সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলাম। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে নিজ নির্বাচনী ৫৮নং পূর্ব শ্যামপুর ওয়াসা নতুন রাস্তা সংলগ্ন এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় এক দোয়া মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি। রবিন বলেন, বিশেষ সুবিধাভোগী মানুষ তাদের সুবিধার জন্য এই এলাকার অনেক লোককে মামলা হামলায় জড়িয়েছেন। তারা কখনো আপনার আমার ভালোর কথা কল্পনাতেও আনেননি। এই এলাকার মানুষ নাগরিক সুবিধা পায় না। আমাদের পর্যাপ্ত পাকা রাস্তা নেই, ল্যাম্পপোস্ট নেই, প্রতিনিয়ত ট্যাক্স দিই, গ্যাস পাই না ঠিক মতো। সন্ত্রাসী বাহিনীর হয়রানির কারণে ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়েছে, এলাকার ছেলেরা চাকরির সুযোগ হারিয়েছে। গুন্ডা পান্ডা দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব করতো এলাকায়। তিনি বলেন, আমাদের এলাকায় অনেক সমস্যা। বৃহৎ এই এলাকায় পর্যাপ্ত হাসপাতাল সুবিধা নেই। পারিবারিক ও সামাজিক উৎসব করতে কমিউনিটি সেন্টার নেই। খেলার মাঠ নেই, আমাদের ছেলেরা স্কুল থেকে এসে হয় রাস্তায় ঘুরছে, না হয় মাদকাসক্ত হচ্ছে ৷নামে শহর হলেও মূলত শহরের কোনো সুবিধা পাই না। রবিন বলেন, এই এলাকা আমার, আমি এখানেই বেড়ে উঠেছি, আমি আমার দায়বদ্ধতা, সীমাবদ্ধতা জানি। আমার বাবা যেমন আপনাদের ভালোবাসতো, এই এলাকা ও এলাকার মানুষের জন্য কাজ করেছে, আমি তার আদর্শ ধারণ করেই আপনদের পাশে থাকতে চাই। আপনাদের সন্তান আমি, বারবার কারাবরণ করে ফিরে এসেছি আপনাদের কাছে। কারণ আমি জানি আমার নিরাপদ আশ্রয়স্থল আপনারা।  তিনি বলেন, সুযোগ পেলে ইন্ডাস্ট্রিগুলো চালু করতে চেষ্টা করব, যেন আমরা ছেলে-ভাই-ভাতিজারা চাকরির সুযোগ পান। উচ্চশিক্ষা বিস্তারে কাজ করতে চাই। এলাকায় ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভালো হলে ভালো মানুষের বসতি বৃদ্ধি পায়। অন্যায়-অপরাধ কমে যায়। এই এলাকার প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বেগম জিয়া ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন। এখন সময় এসেছে তার স্বপ্নকে বিএনপির হাত ধরে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার।  বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের অন্যায়, জুলুম, নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে রবিন বলেন, আল্লাহ পাকের বিচার সবার ঊর্ধ্বে। তিনি তার বিচার করেছেন। অন্যায়ের রাজত্ব চিরকাল থাকে না।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow