বিএনপির কর্মীকে হত্যায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
বগুড়ায় বিএনপির কর্মী আরিফুল ইসলাম মুন্না (৪২) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. সাইউমকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর তুরাগ এলাকায় এক যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত সাইউম বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোর শাহার পুকুর এলাকার মৃত আজিজার রহমানের ছেলে।
র্যাব-১২ (বগুড়া) ও র্যাব-১ (উত্তরা) সদস্যরা এই অভিযান পরিচালনা করেন।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বগুড়া র্যাব-১২ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তিনি জানান, গত মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ছুরিকাহত আরিফুল ইসলাম মুন্না। তিনি ফাঁপোর ইউনিয়ন বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী এবং ওই এলাকার মৃত চিকিৎসক ইয়াছিন আলীর ছেলে।
র্যাব কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ জানান, নিহত মুন্না ও গ্রেপ্তারকৃত সাইউমের মধ্যে মাদক ব্যবসার লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এছাড়া মুন্না ইতোপূর্বে সাইউমের বিরুদ্ধে একটি চেক জালিয়াতির মামলা করেছিলেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। এই মামলার পর থেকে
বগুড়ায় বিএনপির কর্মী আরিফুল ইসলাম মুন্না (৪২) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. সাইউমকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর তুরাগ এলাকায় এক যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত সাইউম বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোর শাহার পুকুর এলাকার মৃত আজিজার রহমানের ছেলে।
র্যাব-১২ (বগুড়া) ও র্যাব-১ (উত্তরা) সদস্যরা এই অভিযান পরিচালনা করেন।
বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বগুড়া র্যাব-১২ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার ফিরোজ আহমেদ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তিনি জানান, গত মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ছুরিকাহত আরিফুল ইসলাম মুন্না। তিনি ফাঁপোর ইউনিয়ন বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী এবং ওই এলাকার মৃত চিকিৎসক ইয়াছিন আলীর ছেলে।
র্যাব কর্মকর্তা ফিরোজ আহমেদ জানান, নিহত মুন্না ও গ্রেপ্তারকৃত সাইউমের মধ্যে মাদক ব্যবসার লেনদেন নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এছাড়া মুন্না ইতোপূর্বে সাইউমের বিরুদ্ধে একটি চেক জালিয়াতির মামলা করেছিলেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। এই মামলার পর থেকেই সাইউম ও তার সহযোগীরা মুন্নাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২৩ মার্চ রাত সাড়ে ১০টার দিকে মুন্না বাড়ি ফেরার পথে সদর উপজেলার ফাঁপোর আদর্শ কলেজ সড়কের কাছে একদল দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। সেখানে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেটে আঘাত করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মুন্না বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনরা তাকে দ্রুত শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রধান আসামি সাইউমের অবস্থান শনাক্ত করে র্যাব। তাকে ঢাকার কামারপাড়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত সাইউমকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বগুড়া সদর থানায় হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।