বিএনপির যেসব হেভিওয়েট নেতার মন্ত্রিসভায় জায়গা হয়নি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়েছে। নতুন এই মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হওয়া অনেকেই জায়গা পেয়েছেন। ৫০ জনের ৪০ জনই নতুন। দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত বিএনপির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও ঘোষিত তালিকায় একাধিক হেভিওয়েট নেতার নাম থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির যেসব জ্যেষ্ঠ নেতা নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি, তাদের মধ্যে রয়েছেন— স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান। দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, আসাদুজ্জামান রিপনদের কেউ মন্ত্রিত্ব পাননি। চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, মোয়াজ্জ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়েছে। নতুন এই মন্ত্রিসভায় প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হওয়া অনেকেই জায়গা পেয়েছেন। ৫০ জনের ৪০ জনই নতুন। দলীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত বিএনপির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও ঘোষিত তালিকায় একাধিক হেভিওয়েট নেতার নাম থাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছুটা মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
বিএনপির যেসব জ্যেষ্ঠ নেতা নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পাননি, তাদের মধ্যে রয়েছেন— স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান।
দলের ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লা বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, আসাদুজ্জামান রিপনদের কেউ মন্ত্রিত্ব পাননি।
চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমানউল্লাহ আমান, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মজিবুর রহমান সরোয়ার, গোলাম আকবর খোন্দকার, মাহবুবউদ্দিন খোকন, ফজলুর রহমান মন্ত্রিসভায় জায়গা পেতে পারেন বলে আলোচনা ছিল। শেষ পর্যন্ত তাদের কেউ মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল এমপি নির্বাচন না করায় ধারণা করা হয়েছিল তাদের মন্ত্রী করা হবে। শেষ পর্যন্ত তিনিও অন্তর্ভুক্ত হননি। তাদের বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ চলছে।
What's Your Reaction?