বিএনপির ৩ নেতা বহিষ্কার
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে কাজ করার অভিযোগে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির তিন নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে জেলা বিএনপি।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ঈসা ও সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া স্বপনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বহিষ্কৃত নেতারা হলেন- এসএম খোসবুর রহমান খোকন, সহসভাপতি, আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি; রেজাউল করিম রেজা, সহসভাপতি, আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপি এবং সিরাজুল ইসলাম সোজা, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির সব ধরনের পদ-পদবি থেকে বহিষ্কার করা হলো। অভিযুক্ত নেতারা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ও সমর্থিত প্রার্থী, বাংলাদেশ কৃষক দলের সহসভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলামের পক্ষে কাজ না করে স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুর রহমান দোলনের পক্ষে সরাসরি অবস্থান নেন, যা দলীয় গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরজামা
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্যে কাজ করার অভিযোগে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির তিন নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করেছে জেলা বিএনপি।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ফরিদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ঈসা ও সদস্য সচিব এ কে কিবরিয়া স্বপনের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বহিষ্কৃত নেতারা হলেন- এসএম খোসবুর রহমান খোকন, সহসভাপতি, আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপি; রেজাউল করিম রেজা, সহসভাপতি, আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপি এবং সিরাজুল ইসলাম সোজা, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, আলফাডাঙ্গা পৌর বিএনপি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের আলফাডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর বিএনপির সব ধরনের পদ-পদবি থেকে বহিষ্কার করা হলো। অভিযুক্ত নেতারা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ও সমর্থিত প্রার্থী, বাংলাদেশ কৃষক দলের সহসভাপতি খন্দকার নাসিরুল ইসলামের পক্ষে কাজ না করে স্বতন্ত্র প্রার্থী আরিফুর রহমান দোলনের পক্ষে সরাসরি অবস্থান নেন, যা দলীয় গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরজামাল খসরু জানান, বহিষ্কৃত নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই দলীয় কর্মসূচির বাইরে ছিলেন। নির্বাচনী মাঠে তাদের অবস্থান প্রকাশ্যে চলে আসায় জেলা নেতৃত্ব কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ মোদাররেস আলী ঈসা কালবেলাকে বলেন, নির্বাচনের সময় দলীয় শৃঙ্খলাই সবচেয়ে বড় শক্তি। এই সিদ্ধান্ত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং একটি বার্তা-দলীয় পদ-পদবি বহন করে কেউ যদি স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নেয়, তাহলে তার পরিণতি কী হতে পারে।
এদিকে বহিষ্কৃত নেতাদের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা বিএনপি সূত্র জানায়, এ ঘটনায় শুধু তিন নেতা নয়, সংশ্লিষ্ট সহযোগী সংগঠনের আরও কয়েকজন নেতাকর্মীর ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের কঠোর সিদ্ধান্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা।