বিএমইউকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নয়নের অঙ্গীকার উপাচার্যের
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএমইউ) আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিএমইউ’র ২৯তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপাচার্য এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লকের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র্যালির উদ্বোধন করেন তিনি। র্যালিটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা। র্যালিপূর্ব সমাবেশে উপাচার্য বলেন, উচ্চতর চিকিৎসাশিক্ষা, গবেষণা ও চিকিৎসাসেবায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উৎকর্ষ বৃদ্ধির পাশাপাশি উদ্ভাবনে নতুন মাত্রা যোগ করার জন্যও আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ যাতে জটিল জটিল রোগসহ সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দেশেই পায় এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে না হয়—সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। বিশ্ব প্রেক্ষাপট ও দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, সাশ্রয়ের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এ বছর সংক্ষিপ্ত পরিসর
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএমইউ) আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিএমইউ’র ২৯তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র্যালি ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপাচার্য এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লকের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র্যালির উদ্বোধন করেন তিনি। র্যালিটি ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা।
র্যালিপূর্ব সমাবেশে উপাচার্য বলেন, উচ্চতর চিকিৎসাশিক্ষা, গবেষণা ও চিকিৎসাসেবায় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। উৎকর্ষ বৃদ্ধির পাশাপাশি উদ্ভাবনে নতুন মাত্রা যোগ করার জন্যও আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ যাতে জটিল জটিল রোগসহ সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দেশেই পায় এবং চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে না হয়—সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।
বিশ্ব প্রেক্ষাপট ও দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে উপাচার্য বলেন, সাশ্রয়ের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে এ বছর সংক্ষিপ্ত পরিসরে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। তবে কর্মসূচির অংশ হিসেবে রোগীদের মধ্যে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যরা, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, পরিচালকসহ শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন। আম্রপালি, জলপাই, বারি আম, আমড়া, নারিকেল, লিচু, কালোজাম, আমলকি, ডালিম ও মিনি জামরুলসহ বিভিন্ন ফলদ গাছ রোপণ করা হয়।
জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ৩০ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত বিএমইউ বর্তমানে দেশের চিকিৎসাশিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৮টি অনুষদ, ৫৯টি একাডেমিক বিভাগ, ৫৫টি অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫১৬১ জন এবং জনবল রয়েছে ৪ হাজার ৫ শতাধিক। হাসপাতালের মোট শয্যা সংখ্যা ১৭৯২টি, যার মধ্যে ৮৭৮টি বিনামূল্যে সেবা দেওয়া হয়।
দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন এবং বেলুন উড়ানোর মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।
এসইউজে/এমআইএইচএস
What's Your Reaction?