বিচারপতিদের নিয়ে কটূক্তি: হাইকোর্টের সহকারী রেজিস্ট্রার চাকরিচ্যুত

প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের সম্পর্কে অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার (দেওয়ানি-১) ইব্রাহীম আলম ভূইয়াকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আরও পড়ুন মিরপুরে হত্যা মামলা / সাবেক সিনিয়র সচিব এস. এম. জিয়াউল আলমকে শোন অ্যারেস্ট বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার (দেওয়ানি-১)ইব্রাহীম আলম ভূইয়া ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের সম্পর্কে অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতিত প্রমাণ হওয়াই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর আগে সাময়িক বরখাস্ত করার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, তিনি ব্যক্তিস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের কর্মচারীদের ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মিডিয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান, প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের নামে মিথ্যা ও অসত্য কুৎসা প্রচারের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্

বিচারপতিদের নিয়ে কটূক্তি: হাইকোর্টের সহকারী রেজিস্ট্রার চাকরিচ্যুত

প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের সম্পর্কে অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার (দেওয়ানি-১) ইব্রাহীম আলম ভূইয়াকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার (দেওয়ানি-১)ইব্রাহীম আলম ভূইয়া ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের সম্পর্কে অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতিত প্রমাণ হওয়াই তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর আগে সাময়িক বরখাস্ত করার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, তিনি ব্যক্তিস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের কর্মচারীদের ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মিডিয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান, প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের নামে মিথ্যা ও অসত্য কুৎসা প্রচারের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন।

সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বৈধ আদেশ পালন না করতে অন্য কর্মচারীদের ইন্ধন দিয়ে অফিসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন, যা সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট) এমপ্লয়িজ (শৃঙ্খলা ও আপিল) রুল ১৯৮৩ এর ২(৪) বিধি ৩ (বি) মোতাবেক গুরুতর অসদাচরণ ও অফিস শৃঙ্খলা পরিপন্থি।

এ অভিযোগ বর্ণিত বিধির ৪ (১) মোতাবেক অপরাধ। যার সর্বোচ্চ শাস্তি চাকরি থেকে বরখাস্ত করা। বিধি মোতাবেক তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে প্রশাসন শাখায় সংযুক্ত করা হয়। এছাড়া বিধি ১০(১) মোতাবেক তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে মামলায় অভিযোগ প্রমাণ হওয়াই এখন তাকে বরখাস্ত করা হলো।

এফএইচ/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow