বিছানায় পড়ে ছিল ৩ বছরের শিশুর মরদেহ, মায়ের চিৎকারে দরজা খুলে দেন বাবা

রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন বড় বেড়াইদ পশ্চিম ঋষিপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে হাবিবুল্লাহ হাবিব নামে তিন বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, পেশায় রিকশাচালক শিশুটির মাদকাসক্ত বাবা মো. শাহীন নিজের সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে ওই এলাকার জুলহাস মিয়ার বাড়ি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠাই। তিনি বলেন, আমরা স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, মাদকাসক্ত বাবা মো. শাহীন শ্বাসরোধ করে নিজের শিশুসন্তানকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। ভবন মালিক জুলহাস জানান, শিশুটির বাবা শাহীন পেশায় রিকশাচালক। তিনি স্ত্রী শিল্পী খাতুন ও দুই ছেলেকে নিয়ে বাসাটিতে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার সময় বড় ছেলে বাসায় ছিল না আর শিশুটির মা ওষুধ কিনতে বাইর

বিছানায় পড়ে ছিল ৩ বছরের শিশুর মরদেহ, মায়ের চিৎকারে দরজা খুলে দেন বাবা

রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন বড় বেড়াইদ পশ্চিম ঋষিপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে হাবিবুল্লাহ হাবিব নামে তিন বছরের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্বজনদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, পেশায় রিকশাচালক শিশুটির মাদকাসক্ত বাবা মো. শাহীন নিজের সন্তানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) ভোরে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জামাল হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে ওই এলাকার জুলহাস মিয়ার বাড়ি থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাঠাই।

তিনি বলেন, আমরা স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, মাদকাসক্ত বাবা মো. শাহীন শ্বাসরোধ করে নিজের শিশুসন্তানকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

ভবন মালিক জুলহাস জানান, শিশুটির বাবা শাহীন পেশায় রিকশাচালক। তিনি স্ত্রী শিল্পী খাতুন ও দুই ছেলেকে নিয়ে বাসাটিতে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার সময় বড় ছেলে বাসায় ছিল না আর শিশুটির মা ওষুধ কিনতে বাইরে গিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পর বাসায় ফিরে শিল্পী খাতুন রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় স্থানীয়দের ডেকে চাপ প্রয়োগ করলে শাহীন দরজা খুলে দেন। পরে সবাই ঘরে ঢুকে বিছানার ওপর শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এসময় শাহীনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

তিনি জানান, নিহত শিশুটির গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার হাসিরাকান্দি এলাকায়।

কাজী আল-আমিন/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow