বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের যোগসূত্র ছিল: জামায়াত আমির

তৎকালীন (আওয়ামী লীগ) সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সে কারণেই প্রকৃত তদন্ত প্রতিবেদন আজও জনসমক্ষে আনা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, এখন বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায়। বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এটি হবে তাদের চরম ব্যর্থতা। অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত এবং নেপথ্যে থাকা প্রধান ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। আরও পড়ুনসেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা: ফখরুল রক্তাক্ত পিলখানা: ১৭ বছরেও অমীমাংসিত প্রশ্ন, অপেক্ষা ন্যায়বিচারের  তিনি বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে যা ঘটেছিল, তা ছিল মূলত দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ওইদিন যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করে টার্গেট করা হয়েছিল। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না। ২০

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের যোগসূত্র ছিল: জামায়াত আমির

তৎকালীন (আওয়ামী লীগ) সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে বিডিআর হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সে কারণেই প্রকৃত তদন্ত প্রতিবেদন আজও জনসমক্ষে আনা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, এখন বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায়। বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এটি হবে তাদের চরম ব্যর্থতা। অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত এবং নেপথ্যে থাকা প্রধান ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

আরও পড়ুন
সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দিতেই ৫৭ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা: ফখরুল 
রক্তাক্ত পিলখানা: ১৭ বছরেও অমীমাংসিত প্রশ্ন, অপেক্ষা ন্যায়বিচারের 

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে যা ঘটেছিল, তা ছিল মূলত দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ওইদিন যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করে টার্গেট করা হয়েছিল। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিচার ও নেপথ্যের কারণ নিয়ে এখনো রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক রয়ে গেছে।  

এমএমএ/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow