বিতর্কিত ‘শিক্ষক সমিতি’র শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন, প্রতিবাদ ঢাবি সাদা দলের
ঢাবি শিক্ষক সমিতির নামে পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসর কয়েকজন শিক্ষক কর্তৃক শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী ঢাবি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম ও অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার। বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছে যে বর্তমানে অকার্যকর এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ব্যানারে পতিত স্বৈরাচারের দোসর কয়েকজন শিক্ষকের ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের নামে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন। সাদা দল বর্তমানে অন্তত্বিহীন শিক্ষক সমিতির নামে এই অনৈতিক ও ধৃষ্টতাপূর্ণ কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সাদা দলের নেতারা আরও বলেন, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কোনো বৈধ বা কার্যকর কমিটি নেই। যার
ঢাবি শিক্ষক সমিতির নামে পতিত ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসর কয়েকজন শিক্ষক কর্তৃক শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী ঢাবি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিবৃতিতে এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম ও অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার।
বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাদা দল গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছে যে বর্তমানে অকার্যকর এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ব্যানারে পতিত স্বৈরাচারের দোসর কয়েকজন শিক্ষকের ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের নামে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন। সাদা দল বর্তমানে অন্তত্বিহীন শিক্ষক সমিতির নামে এই অনৈতিক ও ধৃষ্টতাপূর্ণ কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
সাদা দলের নেতারা আরও বলেন, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কোনো বৈধ বা কার্যকর কমিটি নেই। যারা নিজেদের এই সমিতির দায়িত্বশীল বলে দাবি করছেন, তাদের কোনো নৈতিক বা আইনি ভিত্তি নেই। এই তথাকথিত দায়িত্বশীলরা ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় খুনি স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে কাজ করেছেন। তারা সরাসরি অভ্যুত্থানের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের রক্ত ঝরানোর পথকে প্রশস্ত করেছিলেন। চব্বিশের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এই গোষ্ঠীটি সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কাছে ‘গণধিকৃত’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কর্তৃক গঠিত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রাথমিক শান্তি হিসেবে তাদের অনেককেই একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। এমতাবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মর্যাদাশীল সংগঠনের নাম ব্যবহার করে কোন কার্যক্রম পরিচালনার কোনো সুযোগ নেই।
নেতৃবৃন্দ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আরও বলেন, অবিলম্বে তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আলোকে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীন এবং কার্যকর কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত ‘শিক্ষক সমিতির’ নাম বা ব্যানার ব্যবহার করে সকল প্রকার কার্যক্রম অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে যেন কোনো গণধিকৃত ও বিতর্কিত শিক্ষক ও সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র ও সংবেদনশীল স্থানগুলোতে কোনো প্রকার রাজনৈতিক অপতৎপরতা চালানোর সুযোগ না পায়।
পরিশেষে নেতারা বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিরোধী ও পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের দোসর কোন ধরনের অপতৎপরতা সাদা দল বরদাশত করবে না।
What's Your Reaction?