‘বিদেশি শিক্ষার্থীরাও পারে’, যুক্তরাষ্ট্রে সফলতার প্রমাণ দিলেন বাংলাদেশি তরুণ
নিজের স্বপ্ন পূরণে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন মোস্তফা রাফি। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা বাংলাদেশে। তিনি ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস’ (বিইউপি) থেকে স্নাতক শেষ করেন। পরে মাস্টার্স করতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। সেখানে তিনি ‘ফ্লোরিডা আটলান্টিক ইউনিভার্সিটি’ (এফএইউ)-তে ফিন্যান্স নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক খাতে চাকরিও শুরু করেন। তার কাজের শুরুটা হয়েছিল ফিন্যান্সিয়াল কমপ্লায়েন্স বা আর্থিক নিয়মকানুন বিভাগে। আর্থিক অপরাধ দমন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় তিনি বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন। পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি তিনি ‘সার্টিফাইড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট’ (CAMS) সনদও লাভ করেন। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় তিনি একটি নিবন্ধিত বিনিয়োগ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ‘চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসার’ (CCO) বা প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক বিধিপালন ও নৈতিকতার মানদণ্ড নিশ্চিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ছেলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার বাবা নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (এনইউবি) রেজিস্ট্রা
নিজের স্বপ্ন পূরণে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন মোস্তফা রাফি। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা বাংলাদেশে। তিনি ‘বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস’ (বিইউপি) থেকে স্নাতক শেষ করেন। পরে মাস্টার্স করতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। সেখানে তিনি ‘ফ্লোরিডা আটলান্টিক ইউনিভার্সিটি’ (এফএইউ)-তে ফিন্যান্স নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন।
পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক খাতে চাকরিও শুরু করেন। তার কাজের শুরুটা হয়েছিল ফিন্যান্সিয়াল কমপ্লায়েন্স বা আর্থিক নিয়মকানুন বিভাগে। আর্থিক অপরাধ দমন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় তিনি বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন। পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি তিনি ‘সার্টিফাইড অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং স্পেশালিস্ট’ (CAMS) সনদও লাভ করেন।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার মাত্র পাঁচ বছরের মাথায় তিনি একটি নিবন্ধিত বিনিয়োগ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের ‘চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসার’ (CCO) বা প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক বিধিপালন ও নৈতিকতার মানদণ্ড নিশ্চিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
ছেলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তার বাবা নর্দান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (এনইউবি) রেজিস্ট্রার কমান্ডার (অব.) মো. মোস্তফা শহীদ। তিনি বলেন, রাফি ছোট থেকেই তার লক্ষ্যের প্রতি অবিচল আর পরিশ্রমী ছিল। বিদেশের মাটিতে নিজের মেধা ও একাগ্রতা দিয়ে সে যে সম্মানজনক অবস্থান তৈরি করেছে, তা একজন বাবা হিসেবে আমাকে ভীষণ গর্বিত করেছে।
রাফি বলেন, অনেকেই মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম না নিলে বিদেশি শিক্ষার্থীরা এখানে সফল হতে পারে না। আমার পথচলা প্রমাণ করে যে এই ধারণা ভুল। সফলতা নির্ভর করে কঠোর পরিশ্রম আর সাহসের ওপর। যারা মনে করেন বিদেশি শিক্ষার্থীরা এখানে টিকতে পারবে না, তারা ভুল ভেবেছেন।
What's Your Reaction?