বিদ্যাকে দেখলেই পালাত অক্ষয়ের ছেলে, জানালেন কারণ
বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ছেলে আরভের সম্পর্ক বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সময় ছেলেকে ঘিরে নানা মজার স্মৃতি শেয়ার করতে দেখা যায় এই অভিনেতাকে। এবার তেমনই এক চমকপ্রদ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন তিনি। সম্প্রতি নতুন সিনেমার প্রচারণায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় কুমার জানান, তার ছেলে আরভ একসময় জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা বালানকে দেখলেই ভয় পেত। এমনকি তাকে দেখলেই সামনে থেকে পালিয়ে যেত। এই ঘটনার সূত্রপাত ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ভুলভুলাইয়া সিনেমা থেকে। ওই ছবিতে বিদ্যা বালানের ‘মঞ্জুলিকা’ চরিত্রটি দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। একইভাবে ছোট্ট আরভের মনেও তৈরি হয়েছিল ভয়। অক্ষয় জানান, সিনেমাটি দেখার পর থেকেই আরভ বিদ্যাকে ‘মঞ্জুলিকা’ হিসেবেই কল্পনা করত। ফলে তিনি যখনই তাদের বাসায় আসতেন, আরভ তার সামনে যেতে চাইত না, এমনকি তার চোখের দিকেও তাকাত না। বিষয়টি নিয়ে ছেলেকে বোঝানোর জন্য বহুবার চেষ্টা করেন অক্ষয় কুমার। তিনি বুঝিয়েছেন, পর্দার চরিত্র আর বাস্তব জীবনের মানুষ এক নয়। বিদ্যা বালান কোনো ভয়ংকর চরিত্র নন, বরং একজন স্বাভাবিক মানুষ। তবে তাতেও খুব একটা কাজ হয়নি। অভিনেতা জানান, প্রায় ছয় বছর ধরে এই ভয় কাটেনি আরভের
বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ছেলে আরভের সম্পর্ক বেশ বন্ধুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সময় ছেলেকে ঘিরে নানা মজার স্মৃতি শেয়ার করতে দেখা যায় এই অভিনেতাকে। এবার তেমনই এক চমকপ্রদ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন তিনি।
সম্প্রতি নতুন সিনেমার প্রচারণায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় কুমার জানান, তার ছেলে আরভ একসময় জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা বালানকে দেখলেই ভয় পেত। এমনকি তাকে দেখলেই সামনে থেকে পালিয়ে যেত।
এই ঘটনার সূত্রপাত ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ভুলভুলাইয়া সিনেমা থেকে। ওই ছবিতে বিদ্যা বালানের ‘মঞ্জুলিকা’ চরিত্রটি দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। একইভাবে ছোট্ট আরভের মনেও তৈরি হয়েছিল ভয়।
অক্ষয় জানান, সিনেমাটি দেখার পর থেকেই আরভ বিদ্যাকে ‘মঞ্জুলিকা’ হিসেবেই কল্পনা করত। ফলে তিনি যখনই তাদের বাসায় আসতেন, আরভ তার সামনে যেতে চাইত না, এমনকি তার চোখের দিকেও তাকাত না।
বিষয়টি নিয়ে ছেলেকে বোঝানোর জন্য বহুবার চেষ্টা করেন অক্ষয় কুমার। তিনি বুঝিয়েছেন, পর্দার চরিত্র আর বাস্তব জীবনের মানুষ এক নয়। বিদ্যা বালান কোনো ভয়ংকর চরিত্র নন, বরং একজন স্বাভাবিক মানুষ। তবে তাতেও খুব একটা কাজ হয়নি।
অভিনেতা জানান, প্রায় ছয় বছর ধরে এই ভয় কাটেনি আরভের মনে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে সেই ভয় কাটিয়ে ওঠে সে।
আরও পড়ুন:
আশা ভোঁসলের যে গান নিষিদ্ধ হয়েছিল
রাজনীতিতে জড়ানোর গুঞ্জন নিয়ে যা বললেন জিৎ
অক্ষয়ের ভাষায়, ছোটবেলায় কোনো চরিত্রের প্রভাব কতটা গভীর হতে পারে, এই ঘটনাই তার বড় উদাহরণ। ‘ভুলভুলাইয়া’র ‘মঞ্জুলিকা’ শুধু দর্শকদেরই নয়, তার নিজের ছেলের মনেও স্থায়ী ছাপ ফেলেছিল।
এখন অবশ্য সবই স্বাভাবিক। তবে এই ঘটনাটি আজও অক্ষয় কুমারের কাছে এক মজার স্মৃতি হয়ে রয়েছে।
এমএমএফ/এমএস
What's Your Reaction?