বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় কাজে যান তিন বন্ধু, অতঃপর...
উত্তম উরাং, নয়ন উরাং ও তপু উরাং, তিন বন্ধু। এদের মধ্যে উত্তম ও তপু হারুয়ালছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ছাত্র ছিলেন। মাহে রমজানে বিদ্যালয়ের লম্বা ছুটি থাকায় পরিবারে অভাব গোছাতে সাময়িক নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন দুই স্কুল ছাত্রসহ সমবয়সী তিন বন্ধু। জীবিকার তাগিদে প্রতিদিনের মতো সোমবার (৯ মার্চ) ইফতারের আগমুহূর্তে কর্মস্থল থেকে ফিরছিলেন তারা। তবে আর ফেরা হয় না। এদিন চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের পেলাগাজীর দীঘি এলাকায় চট্টগ্রামগামী বাসের সাথে খাগড়াছড়িগামী মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাণ যায় তিন বন্ধুরই। তারা তিনজনই মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন। নিহতরা হলেন- ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের হাজীরীখীল গ্রামের যোগেজ উরাংয়ের ছেলে উত্তম উরাং, রাম উরাংয়ের ছেলে নয়ন উরাং ও তপন উরাংয়ের ছেলে তপু উরাং। হারুয়ালছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল হায়দার বলেন, উত্তম উরাং ও তপু উরাং আমাদের বিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র ছিল। পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছতা ফেরাতে স্কুল বন্ধ থাকায় রাজমিস্ত্রীর সহকারী হিসেবে তারা কাজ করছিল। তাদের মৃত্যুতে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থ
উত্তম উরাং, নয়ন উরাং ও তপু উরাং, তিন বন্ধু। এদের মধ্যে উত্তম ও তপু হারুয়ালছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ছাত্র ছিলেন। মাহে রমজানে বিদ্যালয়ের লম্বা ছুটি থাকায় পরিবারে অভাব গোছাতে সাময়িক নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন দুই স্কুল ছাত্রসহ সমবয়সী তিন বন্ধু।
জীবিকার তাগিদে প্রতিদিনের মতো সোমবার (৯ মার্চ) ইফতারের আগমুহূর্তে কর্মস্থল থেকে ফিরছিলেন তারা। তবে আর ফেরা হয় না।
এদিন চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের পেলাগাজীর দীঘি এলাকায় চট্টগ্রামগামী বাসের সাথে খাগড়াছড়িগামী মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাণ যায় তিন বন্ধুরই। তারা তিনজনই মোটরসাইকেল আরোহী ছিলেন।
নিহতরা হলেন- ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের হাজীরীখীল গ্রামের যোগেজ উরাংয়ের ছেলে উত্তম উরাং, রাম উরাংয়ের ছেলে নয়ন উরাং ও তপন উরাংয়ের ছেলে তপু উরাং।
হারুয়ালছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল হায়দার বলেন, উত্তম উরাং ও তপু উরাং আমাদের বিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র ছিল। পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছতা ফেরাতে স্কুল বন্ধ থাকায় রাজমিস্ত্রীর সহকারী হিসেবে তারা কাজ করছিল। তাদের মৃত্যুতে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে শোক বিরাজ করছে।
হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, পড়াশোনার ফাঁকে তারা শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। সড়ক দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু পরিবারকে শোক সাগরে ভাসিয়ে দিয়েছে।
ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম কালবেলাকে বলেন, বাস-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে তিন কিশোরের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এমন মৃত্যু অপ্রত্যাশীত। উপজেলা প্রশাসন এ পরিবারগুলোর পাশে থাকবে।
What's Your Reaction?