বিদ্যালয়ের উৎসবে ঠাঁই পেল ৬০ রকমের দেশি ফল

‘খেলে ফল বারে বল’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদর উপজেলার পালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০ রকমের দেশীয় ফল দিয়ে হয়ে গেলো ফল উৎসব। মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে পালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) আলমগীর হোসেন। ডিসি আলমগীর বলেন, ‘দেশি ফলের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। দেশীয় ফলগুলোতে অনেক পুষ্টিগুণ থাকে। বিদেশি ফলে কেমিক্যাল থাকতে পারে, যা শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ায়।’ পালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহেলী আসফিয়া বলেন,‘ প্রতিবছরই ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়। স্কুলের বাচ্চারা যাতে দেশি ফলগুলো চিনতে পারে এবং পুষ্টি গুণাগুন সম্পর্কে জানতে পারে, এ কারণেই এই আয়োজন। এবছর ৬০ রকমেরও বেশি ফল দিয়ে ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।’ পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রাবণী তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলে, ‘স্কুলে ফল উৎসব হচ্ছে। ফলগুলো দেখে খুব ভালো লাগছে। একসঙ্গে এতগুলো ফল এর আগে কখনো দেখিনি। প্রত্যেকটা ফল থেকে একটু একটু করে খেয়েছি।’ অভিভাবক নিলুফা

বিদ্যালয়ের উৎসবে ঠাঁই পেল ৬০ রকমের দেশি ফল

‘খেলে ফল বারে বল’—প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদর উপজেলার পালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৬০ রকমের দেশীয় ফল দিয়ে হয়ে গেলো ফল উৎসব।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে পালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা ও ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) আলমগীর হোসেন।

ডিসি আলমগীর বলেন, ‘দেশি ফলের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। দেশীয় ফলগুলোতে অনেক পুষ্টিগুণ থাকে। বিদেশি ফলে কেমিক্যাল থাকতে পারে, যা শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ায়।’

বিদ্যালয়ের উৎসবে ঠাঁই পেল ৬০ রকমের দেশি ফল

পালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোহেলী আসফিয়া বলেন,‘ প্রতিবছরই ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়। স্কুলের বাচ্চারা যাতে দেশি ফলগুলো চিনতে পারে এবং পুষ্টি গুণাগুন সম্পর্কে জানতে পারে, এ কারণেই এই আয়োজন। এবছর ৬০ রকমেরও বেশি ফল দিয়ে ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।’

পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রাবণী তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলে, ‘স্কুলে ফল উৎসব হচ্ছে। ফলগুলো দেখে খুব ভালো লাগছে। একসঙ্গে এতগুলো ফল এর আগে কখনো দেখিনি। প্রত্যেকটা ফল থেকে একটু একটু করে খেয়েছি।’

বিদ্যালয়ের উৎসবে ঠাঁই পেল ৬০ রকমের দেশি ফল

অভিভাবক নিলুফা বেগম বলেন, ‘বিদ্যালয়ে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন খুবই ভালো লেগেছে। বাচ্চারাও অনেক আনন্দিত। বিদেশি ফলের চেয়ে দেশি ফলে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।’

অনুষ্ঠানে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমানের সভাপতিত্ব উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌর প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শওকত হোসেন।

মো. তরিকুল ইসলাম/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow