বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের করুণ মৃত্যু
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ষাটবাড়িয়া গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শামীম হোসেন (১৯) নামে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় বাবু নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। বুধবার (৬ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শামীম হোসেন উপজেলার বেথুলী গ্রামের আরিফুল ইসলামের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে ষাটবাড়িয়া মনোহরপুর গ্রামের মাঠ থেকে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলিতে করে কৃষকের ধান পরিবহন করছিলেন শামীম হোসেন। ধান নিয়ে এক কৃষকের বাড়িতে পৌঁছানোর পর ট্রলি থেকে তা নামানোর সময় ধান মাড়াই যন্ত্রের বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে ট্রলিটি জড়িয়ে যায়। এতে ট্রলিতে থাকা শামীম ও বাবু দুজনেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিটকে পড়েন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শামীমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য যুবক বাবুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সোহেল রানা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শামীমের মৃত্যু হয়েছে। কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ষাটবাড়িয়া গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শামীম হোসেন (১৯) নামে এক যুবকের করুণ মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় বাবু নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন।
বুধবার (৬ মে) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শামীম হোসেন উপজেলার বেথুলী গ্রামের আরিফুল ইসলামের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে ষাটবাড়িয়া মনোহরপুর গ্রামের মাঠ থেকে শ্যালো ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলিতে করে কৃষকের ধান পরিবহন করছিলেন শামীম হোসেন। ধান নিয়ে এক কৃষকের বাড়িতে পৌঁছানোর পর ট্রলি থেকে তা নামানোর সময় ধান মাড়াই যন্ত্রের বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে ট্রলিটি জড়িয়ে যায়। এতে ট্রলিতে থাকা শামীম ও বাবু দুজনেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছিটকে পড়েন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শামীমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য যুবক বাবুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সোহেল রানা জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই শামীমের মৃত্যু হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে আইনগত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
What's Your Reaction?