বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই তিস্তার পানি, প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল
ভারতীয় উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের প্রভাবে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে জেলার ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়ছে। একই সঙ্গে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে তিস্তা নদীর পানি। ফলে জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। বুধবার (২৪ জুন) পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বিকেল ৩টায় ২৫ দশমিক শূন্য ৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপৎসীমা ২৬ দশমিক শূন্য ৫ মিটারের ৯৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময়ে তালুক শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ধরলার পানি ৩০ দশমিক শূন্য শূন্য মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদীর পানি বিকেল ৩টায় ২৮ দশমিক ৮৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে, নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ২৪ দশমিক ৬১ মিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে ২২ দশমিক শূন্য ২ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। উভয় পয়েন্টেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, তবে এখনও বিপৎসীমার নিচে অবস্থান করছে। এদিকে কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বি
ভারতীয় উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও টানা ভারী বর্ষণের প্রভাবে কুড়িগ্রামের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এতে জেলার ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বাড়ছে। একই সঙ্গে বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে তিস্তা নদীর পানি। ফলে জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে।
বুধবার (২৪ জুন) পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বিকেল ৩টায় ২৫ দশমিক শূন্য ৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। যা বিপৎসীমা ২৬ দশমিক শূন্য ৫ মিটারের ৯৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময়ে তালুক শিমুলবাড়ি পয়েন্টে ধরলার পানি ৩০ দশমিক শূন্য শূন্য মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদীর পানি বিকেল ৩টায় ২৮ দশমিক ৮৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে।
অন্যদিকে, নুনখাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি ২৪ দশমিক ৬১ মিটার এবং চিলমারী পয়েন্টে ২২ দশমিক শূন্য ২ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। উভয় পয়েন্টেই পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, তবে এখনও বিপৎসীমার নিচে অবস্থান করছে।
এদিকে কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিকেল ৩টায় ২৯ দশমিক শূন্য শূন্য মিটার রেকর্ড করা হয়েছে, যা সকাল থেকে ধীরে ধীরে কমছে এবং বিপৎসীমার ৩১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত হয়েছে। কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ৫২ মিলিমিটার, পাটেশ্বরী পয়েন্টে ৫৫ মিলিমিটার, চিলমারী পয়েন্টে ১০ মিলিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে অব্যাহত পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার বিভিন্ন চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। অনেক এলাকায় তলিয়ে গেছে চীনাবাদাম, পাট, মরিচ ও ভুট্টার খেত। নদী তীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা ও ভাঙন আতঙ্ক বাড়ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, ‘ভারতীয় উজান থেকে নেমে আসা ঢল এবং অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে জেলার নদ-নদীগুলোর পানি বাড়ছে। বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে। তবে বর্তমানে কোনো নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। উজানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, নদী তীরবর্তী ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?