বিভিন্ন ক্যাম্পাসে হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি ঢাকা মহানগর জামায়াতের
দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের হামলার অভিযোগ এনে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর। ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদরাসায় এবং ৩ আগস্ট রাতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধি, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ঢাকা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষের ওপর ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে হামলা চালানো হয়। আহতদের উদ্ধার করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল ইসলামও হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় জকসুর জিএস ও ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি মো. আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ ২০-২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে
দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীদের হামলার অভিযোগ এনে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর। ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদরাসায় এবং ৩ আগস্ট রাতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদের নির্বাচিত প্রতিনিধি, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ঢাকা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষের ওপর ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে হামলা চালানো হয়। আহতদের উদ্ধার করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল ইসলামও হামলার শিকার হন। এ ঘটনায় জকসুর জিএস ও ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি মো. আব্দুল আলিম আরিফ, এজিএস মাসুদ রানাসহ ২০-২৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের জুলাইভিত্তিক প্রদর্শনীতে হামলা, ঢাকা আলিয়া মাদরাসায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও ল্যাপটপ-মোবাইল ফোন ছিনতাই এবং ঢাকা কলেজে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগও তুলে ধরা হয়।
ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপদ ও সুষ্ঠু পরিবেশের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা পূরণ না হয়ে বরং সহিংসতা ও আধিপত্য বিস্তারের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, বিরোধী মতকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে ছাত্রদল সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীরা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গেলে সেখানেও হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
নেতৃদ্বয় দাবি করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে যুবদল ও বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের অস্ত্র নিয়ে মহড়া ও মিছিল দেশের জন্য উদ্বেগজনক। তারা এসব কর্মকাণ্ডকে শিক্ষাঙ্গনের জন্য অশনি সংকেত হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিবৃতির শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়া মাদরাসা ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও তোলারাম কলেজসহ যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ উঠেছে, সেখানে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় একাডেমিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃপক্ষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা।
এমইউ/কেএসআর
What's Your Reaction?

