বিমানবন্দরের বিপরীতে গড়ে উঠছে হাকিম উদ্দিন ভূঁইয়া অত্যাধুনিক হাসপাতাল

রাজধানীর সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে আশিয়ান গ্রুপ। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিপরীতে হাজি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ‘হাকিম উদ্দিন ভূঁইয়া মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল’-এর পাইলিং কাজের মাধ্যমে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে হাসপাতালটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তার ভাই জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, কন্যা অনামিকা ইসলাম ভূঁইয়া এবং পুত্র আরফিন ইসলাম ভূঁইয়া। বিমানবন্দর থেকে মাত্র পাঁচ মিনিটের দূরত্বে প্রায় সাড়ে সাত একর জমির ওপর এই বিশাল চিকিৎসাকেন্দ্রটি নির্মিত হচ্ছে। আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির জন্য সুপরিচিত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আবাসন খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার পাশাপাশি তিনি এর আগে ‘আশিয়ান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা ও শিক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। বাবার স্মৃতি রক্ষার্থে এবং সমাজসেবার অংশ হিসেবে

বিমানবন্দরের বিপরীতে গড়ে উঠছে হাকিম উদ্দিন ভূঁইয়া অত্যাধুনিক হাসপাতাল
রাজধানীর সাধারণ ও নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে আশিয়ান গ্রুপ। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিপরীতে হাজি ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকায় ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট ‘হাকিম উদ্দিন ভূঁইয়া মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল’-এর পাইলিং কাজের মাধ্যমে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে হাসপাতালটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তার ভাই জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, কন্যা অনামিকা ইসলাম ভূঁইয়া এবং পুত্র আরফিন ইসলাম ভূঁইয়া। বিমানবন্দর থেকে মাত্র পাঁচ মিনিটের দূরত্বে প্রায় সাড়ে সাত একর জমির ওপর এই বিশাল চিকিৎসাকেন্দ্রটি নির্মিত হচ্ছে। আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়া তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির জন্য সুপরিচিত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আবাসন খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখার পাশাপাশি তিনি এর আগে ‘আশিয়ান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল’ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা ও শিক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন। বাবার স্মৃতি রক্ষার্থে এবং সমাজসেবার অংশ হিসেবে তিনি এই নতুন হাসপাতালটি নির্মাণ করছেন। ব্যবসায়িক লাভের চেয়ে জনসেবাকে প্রাধান্য দিয়েই এই প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে। আটতলা বিশিষ্ট এই হাসপাতালের প্রতিটি ফ্লোরে থাকছে প্রায় দেড় লাখ বর্গফুট জায়গা। রোগীদের মানসিক প্রশান্তির জন্য হাসপাতালের চারপাশ সাজানো হবে মনোরম সবুজায়নে (গ্রিন ভিউ)।  নিচতলায় থাকবে জরুরি বিভাগ, রেডিওলজি, ইনডোর ও আউটডোর বিভাগ। দ্বিতীয় তলায় থাকবে কার্ডিওভাসকুলার ইউনিট, আইসিইউ, সিসিইউ এবং অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার। তৃতীয় তলায় থাকবে নিউরোলজি, নেফ্রোলজি ও অর্থোপেডিকসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত বিভাগ। চতুর্থ তলায় থাকবে আধুনিক পেশেন্ট ওয়ার্ড ও ডেন্টাল ইউনিট। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে আশিয়ান গ্রুপের পরিচালক জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আমরা যেন সফলভাবে এই হাসপাতালটি সম্পন্ন করে মানুষের সেবায় উৎসর্গ করতে পারি, সেজন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। আপনাদের সহযোগিতায় এটি অত্র অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবার প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হবে।  আশিয়ান এডুকেশন লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খন্দকার শফিউর রহমান জানান, হাসপাতালটি সর্বাধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক মানের সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত করা হবে। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন— আশিয়ান গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, পয়সা বাজারের চেয়ারম্যান অনামিকা ইসলাম ভূঁইয়া, আরফিন ইসলাম ভূঁইয়া, আশিয়ান মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল প্রফেসর ডা. মাহবুবুর রহমান, হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আবুল ফজল, আশিয়ান ফুড এন্ড বেভারেজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এ জি মকফুবার রহমান, আশিয়ান সিটির প্রজেক্ট ডিরেক্টর জহিরুল ইসলাম খান, প্রশাসন বিভাগের নির্বাহী পরিচালক কর্নেল (অব.) মো. হাসান মোর্শেন, আশিয়ান গ্রুপের মার্কেটিং বিভাগের সিইও লে. কর্নেল (অব.) তালহাসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow