বিমানের সাবেক এমডি ও স্ত্রীসহ ৪ জনের রিমান্ড শুনানি মঙ্গলবার
১১ বছরের গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমান, তার স্ত্রী ও দুই গৃহকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক রোবেল মিয়া আদালতে এ আবেদন করেন। পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান আসামিদের উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন। মামলায় ভুক্তভোগী গৃহকর্মী আদালতে নির্যাতনের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে। এর আগে গ্রেফতারের পর গত ২ ফেব্রুয়ারি চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে থাকা অপর আসামিরা হলেন সাফিকুর রহমানের বাসার দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগম। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের সাফিকুর রহমানের বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর গোলাম মোস্তফা জানান, তাদের বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য একটি মেয়েকে রাখার প্রয়োজন। পরে মোহনা নামে ওই শিশু ২০২৫ সালের জুন মাসে বাসায় কাজ করতে আসে। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর মোহনার বাবা মোস্তফা তাকে সুস্থ অবস্থায় দেখে যান। তবে এরপর
১১ বছরের গৃহকর্মীকে নির্যাতনের মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমান, তার স্ত্রী ও দুই গৃহকর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপ-পরিদর্শক রোবেল মিয়া আদালতে এ আবেদন করেন।
পরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান আসামিদের উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন। মামলায় ভুক্তভোগী গৃহকর্মী আদালতে নির্যাতনের বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছে।
এর আগে গ্রেফতারের পর গত ২ ফেব্রুয়ারি চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে থাকা অপর আসামিরা হলেন সাফিকুর রহমানের বাসার দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগম।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের সাফিকুর রহমানের বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর গোলাম মোস্তফা জানান, তাদের বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য একটি মেয়েকে রাখার প্রয়োজন। পরে মোহনা নামে ওই শিশু ২০২৫ সালের জুন মাসে বাসায় কাজ করতে আসে।
সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর মোহনার বাবা মোস্তফা তাকে সুস্থ অবস্থায় দেখে যান। তবে এরপর থেকে তাকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। ৩১ জানুয়ারি মোহনাকে দেখতে যান তার বাবা। তখন মোস্তফা দেখতে পান, মোহনার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত রয়েছে। পরে তিনি মোহনাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
জিজ্ঞাসাবাদে মোহনা জানায়, ২ নভেম্বর থেকে বিভিন্ন সময়ে সাফিকুর রহমান, তার স্ত্রী বিথী ও অজ্ঞাতনামা অন্য আসামিরা তাকে মারধর, খুন্তি দিয়ে আঘাত এবং আগুন দিয়ে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করেছেন।
ঘটনার পর হোটেল কর্মচারী এবং মোহনার বাবা গোলাম মোস্তফা উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।
এমডিএএ/বিএ
What's Your Reaction?